রবিউল ইসলাম, সরিষবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি:
“আমরা ডাঃ মুরাদ হাসান ভাইয়ের নির্দেশে কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধরণের কর্মকান্ড চালিয়ে যাবো”। প্রথমবার নিরুপায় হয়ে পড়া কৃষকের ধান কেটে এমনটাই বলেছিলেন ছাত্রলীগ নেতা শরীফ আহাম্মেদ নীরব। শুধু কথায় নয়, কাজে প্রমান করে দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। আর তাই চতুর্থবারের মতো আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নিরুপায় হয়ে পড়া আরেক অসহায় কৃষকের ধান কেটে মাথায় বহন করে মাড়াই করে দিয়েছেন ছাত্রলীগের এ নেতা ও তার সহকর্মী ছাত্রলীগের অন্যান্য কর্মীরা।
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে করোনায় লকডাউন পরিস্থিতিতে কোন দিনমজুর খুঁজে পাচ্ছিলেন না সরিষাবাড়ী পৌরসভার চর বাঙ্গালীপাড়ার কৃষক ফজলু মিয়া। নিরুপায় হয়ে তিনি ওই গ্রামের কমিশনার আঃ মালেকের সাথে কথা বলেন, কমিশনার আঃ মালেক যোগাযোগ করলে ছাত্রলীগ নেতা নীরব কালক্ষেপন না করে রোজা থাকা অবস্থায় কর্মীবাহিনী নিয়ে ওই কৃষকের পাশে দাঁড়ায়। কৃষক ফজলু মিয়ার ৩৫ শতাংশ জমির ধান কেটে দেন তারা। তারা ধান কেটে মাথায় বহন করে কৃষকের বাড়িতে নেয় এবং মাড়াই করে দেয়। তার এ কাজে সহযোগিতা করেন জুয়েল রানা জিতু, নাছির উদ্দিন স্বপন, নাঈমুর রহমান দুর্জয় খান, রাসেল মাহমুদ, আজিজুর রহমান এবং জুনায়েদ হৃদয়সহ অন্যান্য ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।
কৃষক ফজলু মিয়া বলেন, সংকটময় এই মুহুর্তে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা আমার ধান কেটে দিয়ে যে উপকার করেছে তার জন্য আমি তাদের কাছে ঋণী।
এ সম্পর্কে ছাত্রলীগ নেতা নীরব বলেন, “মানুষ মানুষের জন্য। এ কঠিন পরিস্থিতিতে আমরা অসহায় কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং আমাদের এ ধরণের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ”।
রোজা থাকা অবস্থায় ধান কাটার এ দৃশ্য সরেজমিনে দেখতে যান তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ হাসান এমপির প্রতিনিধি ও যুবলীগ নেতা সাখাওয়াত আলম মুকুল। তিনি বলেন, ছাত্রলীগের এ ধরণের কর্মকান্ড প্রসংশার দাবীদার ও আমি ব্যক্তিগতভাবে মুগ্ধ। আশাকরি তারা এ ধরণের কর্মকান্ড চালিয়ে যাবে।

