একাত্তর বাংলাঃ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার সাজা কেন বাড়ানো হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাই কোর্ট।
আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে বেগম জিয়া ও রাষ্ট্রকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বেগম জিয়ার আইনজীবীরা এ আদেশকে আইনসম্মত নয় দাবি করলেও দুদক আইনজীবী বলছেন, আইন অনুযায়ীই রুল দিয়েছেন উচ্চ আদালত।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম জিয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।এরপর থেকেই কারাগারে রয়েছেন বেগম জিয়া।
খালাস চেয়ে বেগম জিয়ার আপিল যখন শুনানির অপেক্ষায় ঠিক তখনি বেগম জিয়ার সাজা কেনো বৃদ্ধি করা হবেনা জানতে চেয়ে রুল জারি করলো হাইকোর্ট।যে বেঞ্চে বেগম জিয়া খালাসের আপিল করেছেন সেই বেঞ্চই বুধবার বিকেলে এ আদেশ দিলেন।
বেগম জিয়ার আইনজীবীরা এ আদেশকে বে-আইনী বলে উল্লেখ করেছেন।
ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘তারা যদি এটা করতে চায়, তাহলে তাদেরকে আইন পরিবর্তন করতে হবে। তা না হলে এটা তাদের প্রত্যাহার করা উচিৎ। প্রত্যাহার করে তারা আপিল ফাইল করুক। আপিল ফাইল করতে পারে, তাদের অধিকার আছে। তবে এটা একটা অনিয়ম হলো। আদালত নিজেই তো বললেন, এটার ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে।’
দুদকের আইনজীবী বলছেন, বিচারিক আদালতের সাজায় বৈপরিত্ব থাকায় তারা ৫ বছরের কারাদণ্ডের রায়টি পুর্নরবিবেচনার এ আবেদন করেন।উচ্চ আদালত যথার্থই আদেশ দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন দুদক আইনজীবী।
দুদক আইনজীবী বলেন, ‘এই মামলায় বেগম খালেদা জিয়া মুখ্য আসামী। উনাকে দেয়া হয়েছে ৫ বছর। আর যারা সহযোগী, তাদেরকে দেয়া হয়েছে দশ বছর করে। যেটা আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য নয়।
মাননীয় বিচাপতি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, উনি যে মুখ্য আসামী- এটা কোথায় আছে? সেটা আমি রায় থেকে পড়িয়ে মাননীয় আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করলাম।
আদালত বেগম জিয়ার আইনজীবীদেরকেও শুনেছেন অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে। দুই পক্ষ শুনে আদালত আদেশ দিয়েছেন যে ম্যাটারটি এক্সামিন করা উচিৎ। এ জন্য রুল ইস্যু করেছেন। কেন খালেদা জিয়ার সাজা বাড়ানো হবে না- এই মর্মে।’
আগামি ৪ সপ্তাহের মধ্যে বেগম জিয়া, দুদক ও ঢাকার ডেপুটি কমিশনারকে হাইকোর্টের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। সূত্র:সময় টিভি

