সুমন ভৌমিকঃ সুশৃঙ্খল পরিবেশে পাসপোর্টের আবেদনকারীরা তাদের পাসপোর্ট জমা দেন। ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে বর্তমানে চিরচেনা দালালদের নেই আনাগোনা। এখানে খুব শক্তভাবে সিরিয়াল মানা হচ্ছে। স্বচ্ছতার সহিত আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসটি পরিচালিত হচ্ছে। পাসপোর্ট অফিসের প্রচার এবং সেবা সহজ হওয়ায় আবেদনকারীরা পাসপোর্ট করতে এসে সাচ্ছন্দবোধ করছেন।
এখানে পাসপোর্টের আবেদন ফরম জমা দিতে আসেন সাধারন মানুষ। ফিঙ্গার প্রিন্ট থেকে ডেলিভারী পর্যন্ত গ্রাহক এখন সব ভোগান্তি থেকে মুক্ত। সরকার নির্ধারিত সময়ে হয়রানী ও প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই সঠিকভাবে গ্রহিতার হাতে পৌছে যাচ্ছে পাসপোর্ট। অথচ এই কাজের জন্য বিগতদিনে মানুষকে পাসপোর্ট অফিসে ঘুরতে হতো দিনের পর দিন। অগত্যা ঝামেলা এড়াতে টাকা দিয়ে ধরতে হতো দালাল কিন্তু আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ব্যবস্থাপনার পরিবর্তনে গ্রাহকের ভোগান্তি কমেছে। সেবা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছে পাসপোর্ট করতে আসা সাধারন জনগন। আগে দালালের টানাহেঁচড়া ছিল। এখন পাসপোর্ট অফিসের চিত্র পুরোটাই ভিন্ন।
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন মানুষ। কেউ হারিয়ে ফেলেছেন পাসপোর্ট, কেউ নতুন পাসপোর্ট করছেন। আবার কারও পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। চাহিদা অনুযায়ী কাউন্টারে দেয়া হচ্ছে দ্রুত সেবা। পুরোপুরি ডিজিটাল সেবা। আর এই ডিজিটাল সেবার পিছনে যার অবদান তিনি হলেন, ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মোঃ মেহেদী হাসান। ভদ্রতা, নম্রতা ও শালীনতা মানুষ তিনি। পাসপোর্ট আবেদনকারীরা তার কাছে যে কোন সমস্যা নিয়ে কথা বললে তিনি সর্ব্বোচ চেষ্টা করেন সমাধান করার এবং সমাধানও হয় দ্রুত। কর্মক্ষেত্রে মেহেসী হাসান এর এমন সুন্দর আচরণে পাসপোর্ট আবেদনকারীরা প্রশংসা করেছেন ও তারা মুগ্ধ হয়েছেন। এটি তার গুনাবলির বর্হিপ্রকাশ। নিঃসন্দেহে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের আমুল পরিবর্তনে কৃতিত্বের দাবীদার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মো: মেহেদী হাসান। আন্তরিক কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা ২০১৮ তে সেরা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কার পেয়েছে।
কারও পাসপোর্টের তথ্যগত সমস্যা বা কোনো কারণে দেরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে তিনি সেবা পৌছে দেন। যে কোনো সমস্যায় মানুষ সরাসরি কথা বলতে পারেন অফিসের শীর্ষ কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মোঃ মেহেসী হাসান এর সঙ্গে। সবচেয়ে বেশি তিনি জোর দিয়েছেন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচরণ পরিবর্তনে এবং নজরে রাখছেন সব-সময়। মানুষের সেবা দেয়ার মানসিকতা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা বিষয়ে তিনি প্রশংসনীয়।
তিনি সকল প্রকার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ও আপোষহীন এবং সেবা প্রদানই তার মূল লক্ষ্য। মো: মেহেদী হাসান সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গোটা অফিসটি ঘুরে ঘুরে কাজের তদারকি করেন। ছোটখাটো সমস্যার কারণেও কাউকে ফেরত দেওয়া হচ্ছে না এবং নির্ধারিত সময়েই পাসপোর্ট ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে। কোনো অনিয়ম দেখলে তা সমাধানে তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের। ইতোপূর্বে জেলা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন।
কিন্তু কিছু অসাধু চক্র নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টায় ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তারা ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সুনামকে ক্ষুন্ন করে মনগড়া খবর প্রকাশ করছে। যা নিন্দনীয় ও অস্বচ্ছ খবরের বর্হিপ্রকাশ।
পাসপোট করতে আসা কয়েকজন আবেদনকারী বলেন, পাসপোর্ট অফিসের চিত্র বর্তমানে সম্পূর্ণ সেবাধর্মী। তারা বলেন, উপ-পরিচালক নিজে নিচে কাউন্টারে বসে দাড়িয়ে থাকা গ্রাহকদের সেবা দেন। অথ্যাৎ সেবা তিনি আবেদনকারীদের কাছে পৌছে দিয়েছেন। এটাই আসলে ডিজিটাল সেবা।
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস “আমুল পরিবর্তনের কৃতিত্বের দাবীদার” মেহেদী হাসান
Date:

