একাত্তর বাংলাঃ যথাযোগ্য মর্যাদায় ভারতের বাংলাদেশের দূতাবাস ও উপদূতাবাস গুলোতে পালিত হচ্ছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাংলাদেশ উপদূতাবাস ছাড়াও বেসরকারিভাবেও এই দিবস উদযাপন করছে বিভিন্ন সামাজিক ও সেচ্চাসেবী সংগঠন।
বুধবার সকালে কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসের উদ্যোগে শহরের পার্ক-সার্কাস সাত-রাস্তার মোড় থেকে শুরু হওয়া এই প্রভাতফেরিতে পা মেলান উপদূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়াও বহু স্থানীয় মানুষ।
‘আমার ভায়ের রক্তের রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ এই গানের সাথে সাথে এগিয়ে চলে প্রভাত ফেরি। গিয়ে শেষ হয় বঙ্গবন্ধু সরণির বাংলাদেশ উপদূতাবাস প্রাঙ্গনের শহীদ বেদিতে।
শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ও শহীদের আত্মার শান্তি কামনায় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ভাবে উত্তোলন করেন উপদুতাবাসের উপরাষ্ট্রদূত তৌফিক হাসান। অনুষ্ঠিত হয় প্রার্থনা ও মোনাজাত সভাও।
এ সময়ও উপদূতাবাস সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন সেখানে।
এদিকে কলকাতার ‘ভাষা ও চেতনা সমিতি’ ‘রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়’ পৃথক পৃথক ভবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসের প্রভাত ফেরির আয়োজন করে। সেখানেও হাজার হাজার মানুষের মুখে উচ্চারিত হয় আমার ভায়ের রক্তের রাঙানোর একুশের ফেব্রুয়ারি কালজয়ী এই গান।
ভাষা ও চেতনা সমিতির উদ্যোগের রাত ১২.১ মিনিটকে কলকাতা মশাল হাতে ব্যতিক্রম ধর্মী একটি মিছিল বের করা হয়। ঠিক তেমন করেই কলকাতার রবীন্দ্রভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীরা রাত জেগে কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায় এইভাবেই বর্ণমালার আলপনা আঁকেন।

