সুমন ভৌমিকঃ ময়মনসিংহ রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে ১৭ মার্চ বিকাল ৫ ঘটিকায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালী’র পূর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত। বক্তব্যে শান্ত বলেন, বঙ্গবন্ধুর তনয়া বাংলাদেশের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালবাসা নিয়ে এগার বছর যাবত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে দেশ পরিচালনা করছেন।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু জন্ম না হলে আমরা বাংলাদেশের মানচিত্র পেতাম না। আজ বাঙ্গালী জাতি গর্বের সহিত বলতে পারে পৃথিবীর বুকে খঁচিত বাংলাদেশ নামক দেশটি।
এসময় তিনি বলেন, আজকে এই বাংলাদেশে আপনি আমি দাড়িয়ে আছি, সে বাংলাদেশ একদিনে গড়ে উঠেনি। জাতির জনক শেখ মজিবুর রহমান রক্ত দিয়ে এই বাংলাদেশের বীজ বপন করেছিলেন। আর তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি পদক্ষেপ পিতার চোখ দিয়ে দেখেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা তার পিতার সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, মুক্তিযোদ্ধের সপক্ষের শক্তি আজ ঐক্যবদ্ধ। বঙ্গবন্ধুর তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল অর্জন পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন। আজ বাংলাদেশ তার নামের অর্থ খুঁজে পায়, মুক্তিযোদ্ধারা তাদের সম্মান খুঁজে পায়। মহানগরের সাধারণ সম্পাদক জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘাযু কামনা করেন।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় আর বক্তব্য রাখেন, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এহতেশামুল আলম, সহ-সভাপতি অধ্যাপক গোলাম ফেরদৌস জিলু, ফারুক খান, আব্দুর রহমান আল হোসাইন তাজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর শহীদ উদ্দিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক তাজুল ইসলাম খোকন, সদস্য আনোয়ারা খাতুন, জেলা যুবলীগ আহবায়ক এড. আজহারুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক শাহরিয়ার মোঃ রাহাত খান, মহানগর যুবলীগ যুগ্ম আহবায়ক রাসেল পাঠান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ যুগ্ম সাধারন সম্পাদক দেবাশীষ পান্না, জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সরকার মোঃ সব্যসাচী, মহানগর ছাত্রলীগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফয়জুর রাজ্জাক উষান প্রমুখ।
আলোচনা শেষে ব্যানার-ফেস্টুনসহ বর্ণাঢ্য সাজে, বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে বিশাল আনন্দ র্যালী রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বর থেকে বের হয়ে নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে টাউন হল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
আনন্দ র্যালী’র পর রাত ৮ ঘটিকায় মযমনসিংহ মহনগর আওয়ামী লীগ এর আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয়।

