একাত্তর বাংলাঃ ময়মনসিংহে’তেও জয়ের ধারা ধরে রেখেছে ঢাকা আবাহনী। আরামাবাগকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা ৫ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড ধরে রাখলো মারিও লেমোসের শিষ্যরা।
অপর এক ম্যাচে ঢাকায় ব্রাদার্সের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় পেয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি। এই জয়ে লিগে ৫ম স্থানে উঠে এলো গতবারের রানার্স আপরা।
ময়মনসিংহে লিগের ৬ষ্ঠ রাউন্ডের প্রথম ম্যাচে এরকম দর্শক জোয়ার মনে করিয়ে দিচ্ছিল ফুটবলের সোনালী অতীতের কথা। আর তাতে প্রাণ দিতেই মাঠে নেমেছিল দুই জায়ান্ট ঢাকা আবাহনী ও আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ।
অবশ্য এদিন ১২ মিনিটেই শেষ ৪ ম্যাচ জয়ে থাকা আবাহনীকে ভয় পাইয়ে দিয়েছিল আরামবাগ। নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড চিদেনু ম্যাথুর পাস থেকে গোল করেন আরামবাগের আরিফুর রহমান। ম্যাচের শুরুতেই লিড জায়ান্ট কিলারদের।
নিজেদের একটু গুছিয়ে নিয়ে আক্রমণে ধার বাড়ায় আবাহনী। ৩২ মিনিটেই গোল এক ম্যাচ আগে হ্যাটিক করা ফরোয়ার্ড নাবীব নেওয়াজ জিবনের। ডি বক্সে দারুন ড্রিবলিংয়ে সমতায় স্বস্তি আকাশী-সাদা শিবিরে।
৬ মিনিট পর আবারো গোল ওই জিবনের। সেট পিস থেকে দারুন গোলে আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন এই আবাহনীর ফরোয়ার্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে দু’দলের কেউই আর গোল করতে না পারলে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। দিনের অন্য ম্যাচে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে মুখোমুখি ঢাকার দুই ক্লাব শেখ জামাল ধানমন্ডি ও ব্রাদার্স ইউনিয়ন। শেষ দুই ম্যাচ জিতে আসরে নিজেদের ফিরে পাচ্ছিল গত আসরের রানার্স আপরা।
ম্যাচের ৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় ধানমন্ডির ক্লাবটি। শাখাওয়াত রনির গোলে লিড শেখ জামালের। ১০ মিনিট পর আবারো রনির দূর পাল্লার শট ব্রাদার্সের গোলরক্ষক বিপ্লব ভট্টাচার্য ফিরিয়ে দিলে লিড দ্বিগুন করা হয়নি আকাশী-সাদা জার্সিধারীদের।
এদিন অবশ্য কার্ড জটিলতায় দুই বিদেশীকে খেলিয়েই ফেভারিট শেখ জামালকে ভালোই ভুগিয়েছে ব্রাদার্স। শেখ জামালের রক্ষন দূর্গে একাধিক আক্রমন করেও গোলের দেখা পায়নি নইম উদ্দিন শিষ্যরা।
আর তাই ১-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে জোসেফ আফুসি শিষ্যরা। এই জয়ে ৬ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে ৫ নম্বরে উঠে এলো বিপিএলের তিন বারের চ্যাম্পিয়নরা।

