একাত্তর বাংলা রিপোর্টঃ ফুলবাড়িয়া উপজেলার ১৩ নং ভবানীপুর ইউনিয়নের নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন মোঃ জবান আলী সরকার। তিনি নৌকার মাঝি হওয়ায় ১৩ নং ভবানীপুর ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের মাঝে মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। মোঃ জবান আলী সরকার ব্যক্তি জীবনে একজন সাদা মনের মানুষ। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নিরলস ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছেন। তিনি আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত প্রাণ।
জবান আলী সরকার ১৩ নং ভবানীপুর ইউনিয়নের ২ বারের সাবেক সফল চেয়ারম্যান। ১১ নভেম্বর ইউপি নির্বাচনে এবারও চেয়ারম্যান হয়ে ভবানীপুর ইউনিয়নবাসীর পাশে দাঁড়াতে চান। তিনি ইতিমধ্যে এলাকার অনেক সামাজিক, ধর্মীয় ও বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে অতপ্রোতভাবে জড়িত আছেন।
১৩ নং ভবানীপুর ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের কাছ থেকে জানা যায়, জবান আলী সরকার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এছাড়া ছাত্রদের খেলাধুলার সরঞ্জাম, বিভিন্ন সময়ে অনুদান এবং সাংকৃতিক কার্যক্রমে উনার ভূমিকা ছিল দৃষ্টান্তমূলক। এক সময়ে এলাকার বিভিন্ন রাস্তাঘাটের বেহাল দশা ছিল। তিনি সম্মিলিতভাবে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা করে সবার স্ব-উদ্যোগে মাটি ভরাটের কাজ করেছেন।
সাধারণ জনগণ আরো জানান, জবান আলী সরকার ১৩ নং ভবানীপুর ইউনিয়নের উন্নয়নে নিজস্ব উদ্যোগে অনেক কাজ করেছেন। তিনি প্রত্যেকের আপদে-বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাকে ডাকলেই আমরা কাছে পাই, তাই এরকম একজন চেয়ারম্যান আমরা চাই।
জবান আলী সরকারের কাছে ইউপি নির্বাচন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভোটারা আমাকে যদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন, আমি চেষ্টা করব সাধারণ জনগণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যা যা আসে তা একশভাগ বিলিয়ে দিব। আমি যখন আগে চেয়ারম্যান ছিলাম তখনও দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলাম না, আগামীতেও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবো।
তিনি বলেন, আমি ব্যক্তিগত জীবনে একজন সাদামাটা মানুষ। সাধারণ জনগণকে নিয়ে ভাবি এবং তাদের মুখে কিভাবে হাসি ফুটাতে পারবো সেই চিন্তা-ভাবনা করি। আমি রাজনীতি করতে করতে নিজের কথা ভাবার সময় পাইনি, বয়সের এরকম একটা পর্যায়ে এসে শুধু জনগণকে নিয়ে ভাবতে চাই এবং বাকিটা জীবন মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে চাই।
তিনি ১৩ নং ভবানীপুর ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন এবং ১১ তারিখে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেছেন।

