চীফ রিপোর্টারঃ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে ১০৬ টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আহত হয়েছেন ১০ জন।
এদিকে, কুমিল্লার বুড়িচং ও তিতাসে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এরপরই তিতাস উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়।
আপস.রোববার সকালে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও, দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার একটি কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এসময় বেশকয়েকটি দোকান ভাংচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ৩ পুলিশ সদস্যসহ আহত হন ১০ জন।
ভোট শুরুর কিছুক্ষণ পর দুপুরে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার একটি কেন্দ্রে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ফরহাদ হোসেন ফকিরকে লাঞ্ছিত করেন এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকরা। এর জের ধরে দুপক্ষের ধস্তাধস্তি হয়। দুপুরের দিকে আরো কয়েকটি কেন্দ্রে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কারণে তিতাস উপজেলার নির্বাচন স্থগিত করা হয়।
এছাড়া বুড়িচং উপজেলায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় আরো ৪টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এতে আহত হন অন্তত ৩ জন। আটক করা হয় একজনকে।
এছাড়া বরগুনা, টাঙ্গাইল, যশোর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও পিরোজপুরসহ দেশের বিভিন্ন উপজেলায় চতুর্থ ধাপে ভোটগ্রহণ হয়। এদিকে, ৩৯ উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

