সুমন ভৌমিকঃ ময়মনসিংহ মহানগরে মোহিত উর রহমান শান্ত খুবই জনপ্রিয় নাম। যার নামের পাশে মহানগরবাসী লালন করে আগামী মহানগরের উন্নয়নের স্বপ্ন। ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সফল ও জনপ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বিগত সরকার বিরোধী ও বিএনপি জোট সরকারের আমলে দুঃসময়ের নির্যাতিত ও পরীক্ষিত নেতা শান্ত। মহানগর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নে তাকে মূলায়ন করার সমর্থনে রয়েছেন তৃণমূল আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের সাধারন মানুষ।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিনাশী আদর্শের অগ্রসৈনিক শান্ত ত্যাগ ও পরীক্ষার মাধ্যমে দলের প্রতি তার আনুগত্য, অকুণ্ঠ ভালোবাসা ও বিশ্বস্ততার জানান দিয়েছেন।
ময়মনসিংহ মহানগরের সাধারন জনগণ, ভোটার ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিশ্বাস, এবার জননেত্রী দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার বিচক্ষণতা দিয়ে দুঃসময়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা মুজিব অন্তঃপ্রাণ মোহিত উর রহমান শান্তকে তার ত্যাগ ও যোগ্যতার কারণে যথার্থ মূল্যায়ন করবেন।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে তার রয়েছে জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন। যা আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে যে কোন মেয়র প্রার্থীকে হারাতে সক্ষম।
ময়মনসিংহ মহানগরবাসী আশা করেন, দলের স্বার্থে ও মহানগরে উন্নয়নের স্বার্থে কারা-নির্যাতিত, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা মোহিত উর রহমান শান্ত মেয়র হিসাবে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাবে।
ময়মনসিংহ মহানগরের জনগণ ও ভোটাদের জরিপে শান্ত অগ্রভাগে এখনো অবস্থান করছেন। যে কোন প্রার্থীকে টেক্কা দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে নিতে তিনি অদ্বিতীয়।
পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এর সান্নিধ্যে থেকে স্কুল জীবনে ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতেখড়ি এবং বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
কারা-নির্যাতিত, ত্যাগী ও পরীক্ষিত এই নেতা শান্ত বিগত সরকার বিরোধী আমলে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার আসামি হয়ে নানাভাবে বহুবার হয়রানির শিকার হয়েছেন। চারদলীয় জোট সরকার বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে গিয়ে রোষানলে পড়েন তিনি। গত ৩০ ডিসেম্বর দলের বৃহত্তর স্বার্থে তিনি সদর-৪ আসনের মহাজোটের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। যার ফলশ্রুতিতে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয় মহাজোট প্রার্থী।
তিনি মেয়র হিসাবে একজন হেভিওয়েট প্রার্থী এ কথাটি সত্য। আর ময়মনসিংহের আগামী মহানগরকে একটি আধুনিক উন্নত নগরীতে পরিনত করতে শান্ত’র বিকল্প নেই। জনগণের আস্থা রয়েছে তার উপর। তাই প্রতিপক্ষ মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালিয়ে যায় সবসময়। কিন্তু মহানগর নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তাকেই চাচ্ছেন জনগণ।
জনমতে তিনিই রয়েছেন এগিয়ে, তাই মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনায় তিনি রয়েছেন আলোচনার শীর্ষে। অনেকে মনে করেন, এবার যদি ভুল মনোনয়ন হয়, তবে ময়মনসিংহ সদরের আওয়ামী লীগের রাজনীতির যে ক্ষতি হবে তা ভবিষ্যত রাজনীতির জন্য মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করবে। তৃণমূল আওয়ামী লীগ হতাশায় ভেঙ্গে পড়বে। নব্য আওয়ামী লীগার, হাইব্রিড ও বিতর্কিতদের মূল্যায়ন হলে আওয়ামী লীগের ত্যাগী ও পরীক্ষিতদের জন্য সৃষ্টি হবে চরম দুঃসময়। যে জন্য মনোনয়ন কী হয়, জনপ্রত্যাশার মূল্যায়ণ হয় কি না সেই প্রশ্নে ময়মনসিংহ মহানগরবাসী রয়েছেন উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার মধ্যে। তবে ময়মনসিংহের মানুষ সবসময়ই আস্থা রাখেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর। ময়মনসিংহের মন তিনিই বুঝেন ভালো।
মোহিত উর রহমান শান্ত এই মহানগরের সন্তান ও এই মহানগরেই তার জন্ম। তিনি মহানগরবাসীকে ভাল করে চিনেন ও বুঝেন এবং দরদ দিয়ে মহানগরে উন্নয়ন করবেন। তার পিতা ময়মনসিংহের মাটি ও মানুষের নেতা, সাবেক ধর্মমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বঙ্গবন্ধু’র আদর্শের সৈনিক ও জননেত্রী শেখ হাসিনার পরীক্ষিত কর্মী। জনগণ চায় বর্ষীয়ান এই জননেতার অবমূল্যায়ণ যেন না হয়। ৫৯ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি তিল তিল করে ময়মনসিংহের আওয়ামী লীগকে আজকের সুসংগঠিত ভিত্তি দিয়েছেন। তার সুযোগ্য রাজনৈতিক উত্তরাধিকার মোহিত উর রহমান শান্তও জনগণের কাছে সমাদৃত। তার সাংগঠনিক, রাজনৈতিক ও মানবিক ভূমিকার জন্য জনগণ তাকে দীর্ঘদিন ধরেই জনপ্রতিনিধি হিসাবে দেখতে চান।
অপরদিকে রাজনীতিতে হঠাৎ আওয়ামী লীগ ও অনুপ্রবেশকারী রাজনীতিবিদ এবং কাসেম বাজার কুটির ব্যবসায়ীরা মহানগরে মেয়র প্রার্থী হিসাবে লবিং-গ্রুপিং চালিয়ে যাচ্ছেন। যদি সফল হন তবে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন লুটপাটের রাজত্বে পরিণত হবে। যা মহানগরবাসী কখনো দেখতে চান না এই মতামত আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের।
ময়মনসিংহ মহানগরবাসী ও ভোটাররা মনে করেন, মহানগরের সর্বাধিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু মোহিত উর রহমান শান্ত আসন্ন ৫ মে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দক্ষতা, যোগ্যতা ও পরীক্ষিত নেতা হিসাবে তিনিই প্রথম মেয়র হিসাবে মনোনয়ন পেতে পারেন বলে বিশ্বাস করেন মহানগরবাসী।

