সুমন ভৌমিকঃ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান (পিপিএম-সেবা) জেলাকে মাদকমুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। পুলিশ সুপার ময়মনসিংহে যোগদানের পর থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছিলেন। তিনি ময়মনসিংহে সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের বলেছিলেন “মাদকের সাথে কোন আপোস নয়”। তিনি কথা দিয়েছিলেন। কথা রেখে চলেছেন। আর তা বাস্তবায়নও করে যাচ্ছেন। তিনি মাদকের বিষয়ে খুবই কঠোর অবস্থানে। ময়মনসিংহ পুলিশ সুপারের নির্দেশে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ বিভিন্ন সময়ে জেলায় অভিযান পরিচালনা করে মাদক উদ্ধারে ও মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারে ব্যাপক সফলতা অর্জন করে যাচ্ছে। আর এই কাজে সবচেয়ে বেশি সফলতা পাচ্ছে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা।
ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা’র অফিসার ইনচার্জ একজন চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা। মাদক বিরোধী অভিযানগুলোতে তার রয়েছে যথেষ্ট সুনাম। তিনি পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলাকে মাদকমুক্ত করতে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন এবং সফলতাও পাচ্ছেন। এরই ধারবাহিকতায় ১১ ডিসেম্বর রাত্রে ডিবি ওসি শাহ কামাল আকন্দ (পিপিএম-বার) এর নেতৃত্বে এসআই মোঃ আলাউদ্দিন বাদল সংগীয় অফিসার ফোর্স ত্রিশাল থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ত্রিশাল বাসষ্ট্যান্ড থেকে ২ লাখ টাকার মূল্যের ২০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ জন আন্তঃ জেলা মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জের মোঃ মমতাজ আলী’র পুত্র সাফিউল আলম (৩৩) ও ফুলবাড়ীর মৃত-শহিদুল ইসলামের পুত্র মোঃ হাফিজুর রহমান রিপন (২৬)।
ডিবি ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, গোপন সূত্রে জানতে পারি ২ জন মাদক ব্যবসায়ী দিনাজপুর থেকে মাদক সংগ্রহ করে বাস যোগে এসে ত্রিশাল বাসষ্ট্যান্ডে নেমে পড়েছে। ওই ২ জন মাদক ব্যবসায়ী ময়মনসিংহ নগরে আসার জন্য গাড়ীর অপেক্ষমান থাকাবস্থায় ত্রিশাল বাসষ্ট্যান্ড থেকে ২ লাখ টাকার মূল্যের ২০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার করা হয়।
এসআই আলাউদ্দিন জানান, গ্রেফতাকৃতদের বিরুদ্ধে ত্রিশাল থানায় মাদক আইনে মামলা রুজু হয়েছে এবং বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করে ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

