একাত্তর বাংলাৎ ডাকসু নির্বাচনে বাতিল হওয়া প্রার্থিতা ফিরে পেতে আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, ছাত্রদল, প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্রার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তোলেন তারা। এর মধ্যেই চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাদ পড়া প্রার্থীদের আবেদন পুনরায় যাচাই বাছাই করা হবে। আগামী ১৩ মার্চ ঘোষণা করা হবে চূড়ান্ত তালিকা।
প্রায় ২৮ বছর পর হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ ও হল ছাত্র সংসদ নির্বাচন। এতে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের ৮৩২ জন প্রার্থী। এরপর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বুধবার প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এতে বয়স ও ভর্তি জটিলতাসহ নানা কারণে কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ ও হল সংসদ মিলিয়ে ৩১ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। এরমধ্যে ছাত্রদলের ১০ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। বামজোটের জিএস প্রার্থী উম্মে হাবিবা এবং স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী এ আর এম আসিফুর রহমানের প্রার্থিতাও বাতিল হয়। এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সিদ্দিকী বলেন, তারা আমাদের বিপদে ফেলতে চাইছে। তবে বাদ পড়া প্রার্থীদের আবেদন পুনর্মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ রিটানিং কর্মকর্তা।
অধ্যাপক এস এম মাহফুজুর রহমান বলেন, পুনর্বিবেচনার পর তারা আবার সুযোগ পেতে পারেন। চূড়ান্ত তালিকাটি যথাসময়ে প্রকাশিত হবে।
আগামী ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

