একাত্তর বাংলাঃ শুধু রাজনীতির মাঠ নয়, খেলার মাঠেও এক আকর্ষণীয় নাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছোট বেলা থেকেই নিজে খেলতেন ফুটবল। ১৯৪০ সালে বাবা শেখ লুৎফর রহমানের দলের সাথে ফুটবল খেলে গোপলগঞ্জে সাড়া ফেলেছিল। শেখ কামাল, শেখ জামালসহ পুরো পরিবারই ছিল ক্রীড়া বান্ধব। আর বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও খেলাধুলার উন্নয়নে রাখছেন বিশেষ অবদান। শনিবার জাতির জনকের ৯৮তম জন্মবার্ষিকীতে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।
১৯২০ সালে জন্মগ্রহন করা শেখ মুজিব স্কুল জীবনেই ভাল ফুটবল খেলতেন। ১৯৪০ সালে বাবা-ছেলের ফুটবল লড়াই সাড়া জাগিয়েছিল গোপালগঞ্জে। কৈশরে তার ঝুড়িতে ছিল পুরষ্কারও। সবশেষ, ঐতিহ্যবাহী ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের হয়ে দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল খেলেছেন তিনি। এ জন্য খেলাধুলার মধ্যে ফুটবলই বেশি ভালবাসতেন। এছাড়াও, খেলতেন হকি, কাবাডিও। স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর খেলোয়াড়দের অনুপ্রেরণা দিতেন সবসময়।
স্বাধীনতার পর জাতির জনকের দুই ছেলে শেখ জামাল আর শেখ কামাল ধরলেন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের হাল। উদ্দেশ্য ছিল তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা। আর তাদের সব সময় সমর্থন দিয়েছেন বাবা মুজিব। স্বাধীন বাংলার ক্রীড়াঙ্গনে এই পরিবারের কথা স্মরণ করলেন সাবেক ফুটবলার সালাম মোর্শেদী।
শুধু অতীতে নয়, বর্তমানেও দেশের খেলাধুলার উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন মুজিম কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তৃণমূল থেকে ফুটবলার তুলে আনতে দেশব্যাপী ১ লাখ ৩০ হাজার দল আর প্রায় ২ কোটি শিশু খেলোয়াড় নিয়ে শুরু করেন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট। এছাড়া বর্তমান সময়ে খেলাধুলার উন্নয়নের প্রধানমন্ত্রীর আবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেড়ারেশনের সাধারণ সম্পাদক।
এদিকে, ৯৮তম জম্মবার্ষিকী ও শিশু দিবসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।

