একাত্তর বাংলাঃ বীজতলার শঙ্কা কাটিয়ে সবুজ শ্যামলে ভরা এখন হিলির বিস্তীর্ণ মাঠ, আগাছা দমন ও সার প্রয়োগসহ পরিচর্যা কাজে ব্যস্ত কৃষকরা। ধানের দাম কমে যাওয়ায় খরচ তুলতে পারবে কিনা তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক।
উপজেলার বেশির ভাগ জমিতে বোরো ধান লাগানোর কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে পুরোদমে চলছে জমিতে ধানের আগাছা দমন ও সার প্রয়োগসহ পরিচর্যার কাজ।
গেল বছর বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জমিতে পানি সেচ দিতে কিছুটা বিলম্ব হলেও এবার এই উপজেলার চিত্র পুরোটাই উল্টো। ঠিক সময়ে জমিতে পর্যাপ্ত পানি সেচ দিতে পারায় কাঙ্ক্ষিত ফসল ঘরে তুলতে পারবে বলে আশা এখানকার কৃষকদের।
তবে হঠাৎ বাজারে ধানের দাম কমে যাওয়ায় জমিতে বেশি দামে পানি সেচ, বেশি দামে মজুরি দিয়ে ধান লাগিয়ে সর্বশেষ তারা খরচ উঠাতে পারবে কিনা এ নিয়ে সংশয় এখানকার কৃষকদের মনে। তবে তাদের দাবি সরকার যদি সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করে তাহলে ন্যায্য দাম পাবে তারা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আরজিনা বেগম বলেন, কোল্ড ইনজুরির শঙ্কা কাটিয়ে বীজতলা চারা গাছ অনেকটাই আমাদের ভালো থাকায় বোরো রোপন প্রায় শেষ পর্যায়ে। আমাদের লক্ষ্য যা ছিল তা অর্জিত হয়েছে। তবে কৃষকরা যাতে ভালোভাবে ঘরে ফসল তুলতে পারে সে লক্ষ্যে আমরা কৃষি বিভাগ থেকে সার্বক্ষনিক মাঠ দেখাশুনা করছি। পাশাপাশি তাদের পরার্শ দিয়ে যাচ্ছি।

