একাত্তর বাংলাঃ কেরালার কোঝিকোড়ে এক ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। একজন অধ্যাপক ছাত্রীদের চরমতম অপমান করলেন। তাও এমন ভাষায় যা কিনা সর্বপ্রকার শিষ্ঠতার সংজ্ঞাকে অতিক্রম করে যায়।
কোঝিকোড়ে ফারুক ট্রেনিং কলেজে ঘটেছে এই ঘটনাটি। এই কলেজের বেশিভাগ শিক্ষার্থীই ছাত্রী। এক অধ্যাপক ছাত্রীদের উদ্দেশ্য করে কু মন্তব্য করেন। এমনকি তিনি ছাত্রীদেরকে যৌনকর্মীর সাথে তুলনা করেন।
ওই অধ্যাপক ছাত্রীদের বলেন, কোন ছাত্রীরাই তাদের বক্ষদেশ নিয়ে সচেতন নয়, পোশাক পরিধানে তারা মানছেন না কোন ধর্মীয় বিধিনিষেধ।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি এও বলেন, তরমুজের মতো বক্ষদেশ উন্মুক্ত করে ঘোরাই তাদের পছন্দ।
মুহূর্তে অধ্যাপকের এই মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিবাদে অভিনব পদক্ষেপ গ্রহণ করেন ছাত্রীরা।
অধ্যাপকের মন্তব্যের প্রতিবাদে প্রথমে একজন ছাত্রী টপলেস ছবি আপলোড করেন। তার দেখাদেখি আরেকজন ছাত্রীও এমন ছবি প্রকাশ করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।
অধ্যাপকের মন্তব্যের বিরুদ্ধে এক জনমত গঠিত হতে থাকে।
একজন ছাত্রী বলেন, কোনটা শালীনতা আর কোনটা নয়, সেটা দৃষ্টিভঙ্গির উপরই নির্ভর করে। ছাত্রীরা কী পরবে না পরবে সে স্বাধীনতা তাদের থাকা উচিত।
ছাত্রীদের প্রশ্ন, আর কবে মহিলাদের এরকম পণ্যের মতো দেখা বন্ধ হবে?
তবে অভিনব হলেও এই প্রতিবাদের বিরোধিতা করেছেন অনেকেই। তাদের মতে, এটি সামাজিক রীতি নীতি বহির্ভূত একটি কাজ। এছাড়া ঐ দুইজনের একজন ছাত্রী মডেল হওয়ায় অনেকেই মনে করছেন তাকে যৌনতা ছড়ানোর কাজেও ব্যবহৃত হয়েছে।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ দুইটি ছবিই সরিয়ে দিয়েছে। তবে তার আগেই বিশ্বের অনেকগুলো সংবাদমাধ্যমে হুহু করে ছড়িয়ে পড়ে এই খবর।

