একাত্তর বাংলাঃ উন্নয়নশীল দেশের পথে বাংলাদেশের যাত্রাকে অব্যাহত রাখতে আবারও শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আনতে যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারের মন্ত্রীরা।
শনিবার সকালে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নশীল দেশের পথে বাংলাদেশের যাত্রা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল। তিনি ক্ষমতায় না থাকলে বাংলাদেশ আবারো এই অবস্থান থেকে নেমে আসতে পারে। আর সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল ভাবধারার বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতাও ধরে রাখতে হবে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, যে স্থানে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন, যে স্থানে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল সেই স্থানটিতে শিশুপার্ক নির্মাণ করা হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আরও অনেক জায়গা ছিল যেখানে শিশুপার্ক নির্মাণ করা যেত। কিন্তু সেটি না করে ওই স্থানটিকেই বেছে নেয়া হয়েছে যাতে নতুন প্রজন্ম ঐতিহাসিক স্থানটিকে চিনতে না পারে, শনাক্ত করতে না পারে।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর খুনিরা আমাদের সামনে থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্মৃতিকে মুছে ফেলতে ওই স্থানটিতে শিশুপার্ক নির্মাণ করেছিল।
শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে যদি এখন ১৬ কোটি মানুষ থাকে তবে মুক্তিযুদ্ধ দেখেছেন এমন মানুষের সংখ্যা বড়জোর ৩-৪ কোটি হবে। ১২ কোটি নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ দেখে নাই। তাদের সামনে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে। এটা আমাদের দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে এসেছে। আমরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি তাতে ২০২১ সালে আমাদের সূচক আরও বাড়বে। ২০২৪ সালে আমরা জাতিসংঘে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারব। এটা আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল। জননেত্রী শেখ হাসিনা না থাকলে আমাদের হয়ত আবার এ কাতার থেকে দূরে সরে যেতে হবে।

