সুমন ভৌমিকঃ ভিপি মোঃ রাসেল পাঠান সামাজিক কর্মকান্ডের সফল পদচারনায় তাকে অনন্য জনপ্রিয় উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ময়মনসিংহের সর্ব জায়গায় তার রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ। জনগনের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে চলেছেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ রাসেল পাঠান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ৪ নং ওয়ার্ডের মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ব্যস্ত থাকেন সর্বদাই মানবকল্যানের কাজে।
সেবক ও জনদরদী প্রকৃতির মানুষ মোঃ রাসেল পাঠান। একাধারে সফল ব্যবসায়ী, ধর্মানুরাগী ও অসহায় মানুষের বন্ধু। তার কাছে সাহায্যের জন্য যে কেউ আসলে, তিনি উদার হয়ে তাদেরকে সহযোগিতার করেন। তিনি সবার সমর্থন নিয়ে ৪নং ওয়ার্ডে নিঃস্বার্থভাবে জনসেবায় আত্মনিয়োগ করতে চান এবং ওয়ার্ডের জনগনের কাছে জনপ্রতিনিধি হয়ে কাজ করার সুযোগ চান। নিজের ওয়ার্ডের জনগনের কাছে তার রয়েছে ভিন্নমাত্রার গ্রহনযোগ্যতা ও এলাকার ভোটাররা ব্যাপক সাড়াও দিচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষ তাকে ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চায়। তিনি নিজ ওয়ার্ডে প্রচার-প্রচারণা, উঠান বৈঠক, চা ষ্টলে আড্ডায় ইত্যাদি ছাড়াও গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। জনগনের সেবা করাই যার পেশা সে কি আর জনতার বাইরে যাবে। তিনি নির্বাচন করবেন কারন জনগনের অকুষ্ঠ সমর্থনও তার পাশে আছে।
আসন্ন ৫ মে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে দল-মত নির্বিশেষে ওয়ার্ডবাসীর দোয়া, আর্শিবাদ ও সহযোগিতা চেয়েছেন এই তরুণ সমাজ সেবক। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তিনি নানাবিদ মাদক বিরোধী প্রচারণা দীর্ঘদিন যাবত চলিয়ে যাচ্ছেন এবং নিজ এলাকায় মাদক প্রতিরোধে সর্বদা সজাগ থাকেন।
এলাকাবাসী মনে করেন, এবারের আসন্ন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে মোঃ রাসেল পাঠান কাউন্সিলর হিসাবে জয়ী হবার সম্ভাবনা রয়েছে এবং তিনি জয়ী হলে অত্র ওয়ার্ড হতে পারে একটি মডেল ওয়ার্ড।
তিনি ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সার্বিক সহযোগিতার লক্ষে বিভিন্ন ধর্মীয়, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত হয়ে সাধারন মানুষের সেবা করে চলেছেন।
এছাড়াও তিনি এলাকার যুবক-তরুণদের সমন্বয়ে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করেন। এলাকার হতদরিদ্র মানুষের পাশে থেকে তাদের কস্ট-দুঃখ লাঘবে নিরলস কাজ করে চলেছেন।
ভিপি মোঃ রাসেল পাঠান এ প্রতিবেদকে বলেন, সততা এবং দেশপ্রেম আদর্শ নিয়ে এগিয়ে চলেছি তাই সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে ৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হতে চেয়েছি। যেনো সুখে-দুঃখে এলাকার মানুষের পাশে থেকে আরো জোড়ালো ভূমিকা পালন করতে পারি এটাই আমার একমাত্র চাওয়া।
তিনি আরো বলেন, জনপ্রতিনিধিত্ব হাতে পেলে জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে আরো বেশি দায়িত্বশীল রাখতে পারবো।
ভিপি মোঃ রাসেল পাঠান এর নির্বাচনী অঙ্গীকার…….
(১) শিক্ষিত ও সুশীল ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে কার্যকরী নাগিরক কমিটি গঠন করা।
(২) আপনার সন্তানের উজ্জল ভবিষ্যতের জন্য মাদক ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গঠন করা।
(৩) এলাকার জলাবদ্ধতা রোধে সুপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা।
(৪) এলাকার গুরত্বপূর্ণ স্থানকে সি সি ক্যামেরার আওতায় আনা।
(৫) এলাকার বিভিন্ন স্থানে ডাস্টবিন ব্যবস্থা করা।
(৬) যাতায়াত সুবিধার উন্নতিকল্পে পরিকল্পিত রাস্তাঘাট নির্মাণ করা।
(৭) ব্যবসায়ীদের স্বার্থরক্ষায় ব্যবসায়ী মালিক সমিতি গঠন করা।
(৮) এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থে শক্তিশালী ডিফেন্সপার্টি গঠন করা।
(৯) অবহেলিত ঈদগাহ মাঠ ও কবরস্থানের সংস্কার করা।
(১০) এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্বানে পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা।
(১১) পাবলিক কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ করা।
(১২) গরীব-শিক্ষিত বেকার যুবক ও মহিলাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।

