বদরুল আমীনঃ আসন্ন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মাদকাসক্ত নির্বাচিতদের কাছ থেকে নাগরিক সেবা পেতে ঘন্টার পর ঘন্টা বাসার বারান্দা বা চায়ের দোকানে অপেক্ষা করতে হয় এমন প্রার্থীদের পরিহার করে সামাজিক ও সমাজ সেবকদের ভোট দেবার আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহের সুশীল সমাজ। এ ছাড়াও বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এমন দাবীতে জনগনকে সচেতন করতে অনেকে মাঠে নেমেছেন।
সামাজিক সংগঠনগুলো জানিয়েছে, বিগত ৭ বছরে নির্বাচিত ক্ষমতায় থাকা বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরের কাছে নাগরিক সনদ চেয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে ঘুম ভাঙ্গানোর কারনে নানা কথা শোনে পৌরসভা কার্যালয়ে এসে তা সংগ্রহ করেছেন। ভক্তভোগীদের আক্ষেপ ১২ টা বাজলেও নাকি তাদের ঘুম ভাঙ্গেনা।
একটি সুত্র জানিয়েছে, সাবেক কাউন্সিলররা সন্ধা নামলেই নাকি শহরের রেলস্টেশনের কাছের একটি আস্তানায় বেশ কয়েকজন মিলে মাদক সেবনে বসে যেতো। এটা নাকি ছিলো তাদের নিত্য দিনের রুটিন! র্যাবের অভিযানে সেখান থেকে বিদেশী মদ উদ্ধার হয়েছিল বেশ কয়েক বোতল।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, এ ঘরটিতে বেশ কয়েকজন বর্তমান প্রার্থী সাবেক কাউন্সিলররা বসতো। স্থানীয়রা জানায়, রাতভর চলে মদ্যপান। জুয়া খেলাও হয় সেখানে। এ সকল ব্যক্তিদের কাছ থেকে নাগরিক সেবা পেতে অপেক্ষা করতে হয় নাকি ঘন্টার পর ঘন্টা। আবার ঘুম ভাঙ্গালেও নাকি অনেক কথা শোনতে হয় তাদের। সামাজিক সংগঠনগুলো এবারের নির্বাচনে তাদের পরিহার করে সামাজিক ও জন সেবকদের ভোট দানের আহবান জানিয়েছেন।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের এলাকায় ৩৩ টি ওয়ার্ড রয়েছে। প্রায় ৩ শ কাউন্সিলর এতে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন বলে প্রচারে মাঠে নেমেছেন। এ সকল প্রার্থীদের মাঝে অনেকে মাদকাসক্ত বলে সমালোচনা চলছে। তবে বেশীর ভাগ প্রার্থীই সমালোচনার উর্ধে। তারা সমাজ সেবক ও জন দরদী। উচ্চ শিক্ষিতের সংখা কম নয়। জমে উঠবে এবারের নির্বাচন। হবে শ্যানে শ্যানে লড়াই। সমাজ সেবা সংগঠন গুলো মনে করেন, এবারের সিটি নির্বাচনে ভোটারগন মাদকসেবী প্রার্থীদের বর্জন ও নাগরিক সেবা পেতে হয়রানি প্রাপ্ত ব্যক্তিদের পরিহার করে সত ও সমাজ সেবক প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়ী করবেন।

