একাত্তর বাংলাঃ ময়মনসিংহ শহরের টক অব দি টাউন। সর্বাধিক আলোচিত হত্যাকান্ড।পরিবার থেকে প্রথমে করা হয়নি কোন মামলা ।
এমনকি যে লাশ গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও হয়নি ময়না তদন্ত। দায়সাড়া গোছের লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা।
ময়মনসিংহ শহরের সচেতন মহলে আলোড়ন এর সাথে জন্মেছে ভীতি। যদি এই অবস্থা দলীয় সংগঠনের প্রভাবশালী ছাত্রনেতার বেলায় ঘটে তবে সাধারণের কপালে কি হবে ?
জনমনে অসস্তির পরিসমাপ্তি ঘটালেন ধর্মমন্ত্রীর সুযোগ্য সন্তান মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত।
‘অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শাওনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এরআগে দুপুরে ফুলবাড়িয়ার লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কবরস্থান থেকে তার লাশ উত্তোলন করা হয়।
পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার ময়না তদন্ত করা হয়। পরে আবারো তাকে দাফন করা হয়। পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে, জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিবুল হাসান ময়না তদন্তের জন্য শাওনের লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দেন।
গত ২৫শে ফেব্রুয়ারি, দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত হন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আশফাক আল শাওন। পরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ই মার্চ তার মৃত্যু হয়।
এর পরই মাঠে নামে সর্বস্তরের জনসাধারণ ও ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ। বলিষ্ঠ ভূমিকায় মোহিত উর রহমান শান্ত।
১৫ মার্চের সমাবেশ থেকে শান্ত ঘোষনা করলেন ‘মামলা হয়েছে, বিচার ও হবে’। শাওনের বোন আমাদেরকে গুমুট পলিটিকস থেকে উত্তোরণের পথ দেখিয়েছে।
এ সময় তিনি বলেন, ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামী শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসেন। এরপরই টনক নড়ে প্রশাসনের। দ্রুত উদ্দ্যেগ গ্রহনের মাধ্যেমে মামলার অগ্রগতিতে সদাই নিত্য নতুনত্বতায় আইনের হাত শক্তিশালি জনমনে বদ্ধমূল ধারনা সৃষ্ট হয়েছে।
শাওনের পরিবার কোনো মামলা না করেই তার লাশ দাফন করে। পরে গত ১৪ই মার্চ কোতোয়ালি থানায় পুলিশ বাদি হয়ে হত্যা মামলা করে।

