সুমন ভৌমিকঃ ময়মনসিংহের প্রান-পুরুষ আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান । রাজনীতির অভিভাবক সর্বদলীয় জনমত । একজন মুক্তিযোদ্ধা । একজন অভিভাবক । একজন সু-দক্ষ রাজনীতিবিদ ।
তিনি একজন গেম মেকার । যার হাতের নিপুন ছোয়ায় আজকের ময়মনসিংহের আওয়ামীলীগের রাজনীতির মূল হয়েছে দেশময় সুবিন্যাস্ত । আপন মহিমায় যার নেতৃত্বগুনে দলকে টেনে নিয়ে এগিয়ে চলেছেন এক অনন্য উচ্চতার দিশায় ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা যার মূল্যায়ন করেছেন একের পরে এক সম্মানের আসনে বসিয়ে । যার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কাছে পরাভূত অনেক রাঘব-বোয়াল । তাকেই বাদ দিয়ে ময়মনসিংহের আওয়ামীলীগের কর্মী সমাবেশ !
এ যেন তৃনমূল মুজিব সৈনিকদের কাছে আদর্শিক রক্তক্ষরণ । টান টান উত্তেজনা চলছে ।
সর্বত্রই আলোচনা-সমালোচনা ‘ এও কি সম্ভব ?
প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান কে বাদ দিয়ে আওয়ামীলীগের কোন কর্মসূচী তাও তার নির্বাচনী এলাকায়, এ কি আদৌ সম্ভব ?
প্রশ্ন এখন মুজিব আদর্শের রাজনীতির সাথে হাইব্রীড ও উড়ে এসে জুড়ে বসাদের সাথে । তবে কি কাল আদর্শের পরাজয় হবে ?
তৃণমূল নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিহত করবে । এ যেন বদ্ধমূল সংকল্পে পরিণত রাজনৈতিক দিশা ।
আজ দুপুর ১২টায় শিব বাড়ীস্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামীলীগের জরুরী সভাতে প্রতিটি নেতা-কর্মী এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন । আগামীকাল ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী কর্মী সমাবেশে উপস্থিত হবেন বলে সূত্র মাধ্যেমে নিশ্চিত ধারনা ।
এখন প্রশ্ন আসে যদি, কেন স্যার কে বাদ দিয়ে অতিথি তালিকা করা হলো ?
সদুত্তোরে আয়োজনকারীরা হয়তো বলতে পারে আমরা পোস্টার করেছি স্যার কে রেখে । কিন্তু সেটা সমীচিন হবে কি ?
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে প্রচারনা চলছে বেশ ! কিন্তু সেখানে কোথাও তো ধর্মমন্ত্রী নেই । তাহলে এ কিসের আলামত ? এটি কি আওয়ামীলীগের দূর্গে অনুপ্রবেশকারীদের শক্তিমত্তার হানা নাকি ন্যায়ের রাজনীতি আজ ভুলন্ঠিত হতে চলেছে ?
ময়মনসিংহের প্রবাদ-পুরুষ ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান কে বাদ দিয়ে পোস্টার এখন দেয়ালে দেয়ালে বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে !
ময়মনসিংহের আলোচিত এক প্রবীণতম আওয়ামীলীগের রাজনীতিবিদ বলেন, দলের ভিতরে টানাপোড়েন চলছে এটি নিয়ে কোন দ্বিমত নেই । হঠাৎ করে আওয়ামীলীগের নেতা বনে যাওয়া সুদিনের পাখিদের কারনেই র্সৃষ্ট এ জটিলতা ।
তিনি বলেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগ মানেই প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান । একজন খেটে খাওয়া জনতা হতে বুদ্ধিজীবির কাছে প্রশ্ন রেখে দেখুন তারা কি বলে ?
এ সময় তিনি বলেন, তারা এক কথায় বলবে ময়মনসিংহের মাটি ও মানুষের নেতা মতি স্যার । আমরা ময়মনসিংহের আওয়ামীলীগ বলতেই মতি স্যার কেই জানি ।
এবার আসি আগামীকাল সেই মাহেন্দ্রক্ষনের কর্মী সমাবেশ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টতাকে ধুয়ে-মুছে সাফ করে দেবার মন্ত্রবাজি ।
আবারো পোস্টার হলো । কিন্তু এবার ধর্মমন্ত্রীকে রেখে । আবারো দাওয়াদ কার্ড ছাপানো হলো বেশ আড়ম্ভরে তবে ভিন্নতা শুধু সেখানে অতিথি তালিকাতে মাটি ও মানুষের শ্রধ্ধাভাজন ধর্মমন্ত্রীকে রেখে ।
দলীয় অফিতে এ আলোচনা এখন চাওড় । কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রেসারেই নাকি আবার নতুন করে কর্মী সমাবেশের ছক আকা হয়েছে ।
এটি কি সমাধান ? অবশ্যই নয় । কারণ, এই ময়মনসিংহের আওয়ামীলীগের রাজনীতি প্রতিষ্ঠাকারী সৈয়দ নজরুল ইসলাম ( অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি), রফিক উদ্দিন ভূইয়া । এরপর যদি ময়মনসিংহ নৌকার কাপ্তানের নাম ঘোষনা করতে হয় সেটি বিনা বাধায় চলে আসবে জনতার মুখে, জনতার মতি স্যার ।
অতীতের চেয়ে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতির শক্তিমত্তা প্রকাশিত ও প্রমাণিত ময়মনসিংহ মহানগর শাখায় ধর্মমন্ত্রীর সুযোগ্য সন্তান মোহিত উর রহমান শান্ত । নতুন দিশায় নব আনন্দের আভা ছড়াচ্ছে আওয়ামী বাগানে । ঠিক তখনই এমন ষড়যন্ত্রের সূদুর-প্রসারী ভাবনা আগামী কালকের সম্ভাব্য কর্মী সমাবেশ ।
আওয়াজ আসলো ময়মনসিংহের প্রতিটি উপজেলা হতে ‘আগামীকাল ধর্মমন্ত্রীর পক্ষ হতে আগত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে স্বাগত জানাতে সমাবেশস্থলে হাজির হবে বিশ হাজার মুজিব আদর্শের সৈনিকবৃন্দ ।
আগামীকালকের সমাবেশ হয়তো ময়মনসিংহের রাজনীতির ইতিহাসে নতুন এক আওয়ামীলগের কান্ডারীর দেখা মিলবে যার নাম জনতার নেতা মোহিত উর রহমান শান্ত ।

