কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের মুড়িকান্দি গ্রামের মৃত তনু মিয়ার ছেলে রতন মিয়া (৫৫) এর বিরুদ্ধে ১৯৯৫ সালে একটি গণধর্ষণের মামলা হয়।
মামলা দায়েরের পরেই রতন আত্মগোপন করে। ১৯৯৮ সালে কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল রতন মিয়াকে গণধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেন।
উক্ত কারাদন্ড মাথায় নিয়ে আত্মগোপন করে মাজারে মাজারে দিন কাটাতেন। এভাবে পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘ ২৩টি বছর পলাতক ছিলেন। কিন্তু বিধি বাম, গত বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে নেত্রকোনা সদরের মদনপুর শাহ সুলতান কমরউদ্দিন রুমির (রা) মাজারের উরস থেকে বেরসিক পুলিশ ছদ্মবেশী এই ধর্ষককে নেত্রকোনা জেলা পুলিশের সহায়তায় করিমগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
করিমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, রতন মিয়ার নামে ১৯৯৫ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (গ) ও ৬ (২) ধারায় করিমগঞ্জ থানায় মামলা নং-১০ (১২) ১৯৯৫ দায়ের হলে সে আত্মগোপনে চলে যায়।
সে দীর্ঘ ২৩ বছর মাজারে মাজারে অবস্থান নিয়ে পলাতক জীবন যাপন করেন।
গোপন সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে করিমগঞ্জ থানা পুলিশ বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারী) রাতে নেত্রকোনা জেলার মদনপুর মেলায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

