একাত্তর বাংলাঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার বাড়াইপাড়া গ্রামের মেয়ে আমেনা বেগম। স্বামী বাদশা মিয়ার কাছে স্ত্রীর অধিকার ও তার একমাত্র পুত্র সন্তানের পিতৃত্বের দাবি জানিয়েছে তিনি।
মঙ্গলবার (০৫ মার্চ) বিকেলে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে এ দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আমেনা বেগম উল্লেখ করেন, ২৫ বছর আগে পলাশবাড়ি উপজেলার হরিণমারি গ্রামের বাদশা মিয়া ১৯৯৪ সালে প্রথম স্ত্রীর কথা গোপন করে তাকে দ্বিতীয় বিয়ে করে।
বিয়ের পর প্রথম সন্তান আলামিনের জন্মের ৬ মাস বয়সের সময় বাদশা চাকরি করার উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যায়। সৌদি আরবে যাওয়ার তিন মাস পর বাদশা আমেনার ও তাদের সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব না নিয়ে সকল প্রকার যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। ফলে সন্তানকে নিয়ে চরম বিপাকে পড়েন আমেনা।
এই অবস্থায় অন্যের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করে আমেনা নিজের জীবিকা চালাচ্ছেন। পরে সৌদি থেকে চাকরি ছেড়ে বাদশা নিজ বাড়িতে আসলে আমেনা তার অধিকার দাবিতে একাধিকবার বাদশার বাড়িতে যায়। সে সময় বাদশা জানিয়ে দেয় অনেক আগেই আমেনাকে তালাক দিয়েছে। অথচ তালাকের কোনো কাগজপত্র আমেনা পায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমেনার ছেলে আলামিন মিয়া, বড় ভাই মো. মন্টু মিয়া, ভাতিজা মো. ওমর ফারুক, প্রতিবেশী মো. শফিউল আলম।

