সুমন ভৌমিকঃ প্রয়াত অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের নির্বাচনী এলাকা বলে খ্যাত ময়মনসিংহ সদর-৪ আসন। তার সুযোগ্য পুত্র মোহিত উর রহমান শান্ত ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের দু’বারের সাধারণ সম্পাদক এবং যার রয়েছে ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনে ভোটের মাঠে ব্যাপক জনপ্রিয়তা।
বিশ্বত সূত্র জানায়, ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনে জোরেশোরে গুঞ্জন চালিয়ে যাচ্ছে কিছু কুচক্রি মহল। তারা সদর আসনে বিভিন্ন ভাবে বলে বেড়াচ্ছেন হাইকমান্ডের দোয়া ও অনুমতি নিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ভোটারদের মন জয় করার পাঁয়তারা করে যাচ্ছেন। কিন্তু ময়মনসিংহ সদর আসনের সাধারণ জনগণ ও ভোটাররা নৌকাকে ভালবাসেন এবং দলীয় নেতাকর্মীরা নৌকার বাহিরে যাবে না। দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা যাকে নৌকা দিয়েছেন তার পক্ষে কাজ করবেন।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোহিত উর রহমান শান্ত নৌকার মাঝি এবং তাকে বিকল্পহীন হেভিওয়েট প্রার্থী হিসাবে বিবেচিত করছে সদরের সাধারন জনগণ ও ভোটাররা।
শৈশব থেকে মোহিত উর রহমান শান্ত দেখে আসছেন পিতা প্রয়াত অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের জেলা ও সদরের রাজনৈতিক কারিশমা। দেখেছেন র্দুসময়ে কঠিন হস্তে কি ভাবে হাল ধরতে হয়। আরও দেখেছেন অনেক চড়াই উতরাই পাড়ি দিয়ে কি ভাবে রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত করতে হয়। তিনি শিখেছেন অনেক কিছু পিতার সান্নিধ্যে থেকে। অনেক বাঁধা পেড়িয়ে আজ নিজেকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক এই সাংগঠনিক সম্পাদক কাঁপিয়েছেন রাজপথ। সুদৃঢ় করেছেন নিজের রাজনৈতিক বলয় এবং গড়ে তুলেছেন নিজস্ব রাজনীতির ক্ষেত্র। কর্মীবান্ধব এই নেতা দলীয় কর্মীদের কাছে প্রাণের স্পন্ধন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের এর জ্যেষ্ঠ পুত্র মোহিত উর রহমান শান্ত। পিতার সান্নিধ্যেই থেকেই রাজনীতির গুনাবলির সবটাই তাকে অলংকিত করে রেখেছে। তিনি এখন প্রজ্ঞাবান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যার নামের পাশে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি হিসাবে স্বপ্ন লালন করছে ময়মনসিংহের সদরবাসী। বিকল্পহীন এই নেতা বংশানুক্রমেই ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগের বিশ্বস্ত কান্ডারী। ময়মনসিংহ সদর এলাকায় মোহিত উর রহমান শান্ত জনপ্রিয়তায় শীর্ষে।
পিতার মতো সারাজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে উদারপন্থি নেতা হিসাবে কাজ করে আসছেন। দলের দুর্দিনে রাজপথ কাঁপিয়েছেন, কারানির্যাতিত হয়েছেন, খেয়েছেন অনেক মামলা ও জেল-জুলুম। সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতা আওয়ামী লীগের রাজনীতির বলয়ে নিজ শ্রম ও মেধা খাটিয়ে নেতাকর্মীদের কাছ থেকে পেয়েছেন অনেক ভালবাসা এবং আদায় করেছেন বিশ্বাসযোগ্যতা। শীর্ষে থাকা আস্থাভাজন এই নেতা তার নিজ কর্মদক্ষতায় সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি খুবই জনপ্রিয়।
সূত্র জানায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সদরের জনগণ বহিরাগত কোন ব্যক্তি ও পলিটিক্সবাজ ব্যবসায়ীদের এমপি হিসাবে দেখতে চায় না। মোহিত উর রহমান শান্তর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে অক্লান্ত পরিশ্রমের অবদানের জনদাবি সদরের এমপি। আর জনদাবিকে গুরুত্ব দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা মোহিত উর রহমান শান্তকে নৌকা দিয়েছেন। এই জনপ্রত্যাশাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা অপপ্রচার ও মিথ্যা সাজিয়ে পরিকল্পিত ভাবে ভোটারের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে বিভিন্ন ভাবে বলে বেড়াচ্ছে হাইকমান্ডের দোয়া ও অনুমতি নিয়ে মাঠে নেমেছি।
এদিকে, ১৩ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনের নৌকার মাঝি জননেতা মোহিত উর রহমান শান্ত ধানমন্ডি দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এর সাথে দেখা করে দোয়া নিয়েছেন। তিনি ওবায়দুল কাদেরকে অভিযোগ করে বলেন, আমাদের সহযোগী সংগঠনের এক নেতা অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে ফোন দিচ্ছেন এই বলে আপনি স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতি অনুভূতিশীল, আপনার দোয়া নিয়ে সে স্বতন্ত্র ক্যান্ডিডেট হয়েছে। ওবায়দুল কাদের অনেক লোকের সামনে শান্তকে উত্তরে বলেন, “যে বলেছে তাকে আমার সামনে নিয়ে আয়, ওকে কান ধরে উঠবস করাবো”। দলের নেতাকর্মীদের নৌকার বিরোধিতা করার কোন সুযোগ নেই। এরপর শান্ত যে ভদ্রলোক ফোন দিয়ে ওবায়দুল কাদের নাম ব্যবহার করছেন তার নাম এবং ফোন নাম্বার দিয়ে এসেছেন। দলের সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে মিথ্যে বলার কারনে দল অচিরেই কৃতকর্মের পুরস্কার প্রদান করবে বলে মোহিত রহমান শান্ত তার ফেসবুকে একটি ষ্ট্যাটাস দেন।

