জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম বাবুর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও ভরণপোষন না করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সদ্য তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। তবে চেয়ারম্যানের দাবি সম্মানহানি করতেই এই সাজানো নাটক।
বুধবার (১০ মে) দুপুরে বকশীগঞ্জ পৌর শহরের নামাপাড়া বাগানবাড়ী এলাকায় নিজ বাসায় এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুর সাবেক দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। এসময় তিনি লিখত বক্তব্য জানান, আমাদের বিয়ের পর ভরন পোষনের জন্য চাপ দিলে সে আমাকে তালাক দেয় পরবর্তিতে মামলা করলে আবারো রেজিষ্ট্রী করে বিয়ে করলে মামলা তুলে নেই। আমার গর্ভে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম নেয় এরপর আমাকে ও আমার সন্তানকে অস্বিকার করে আসছে। আমি আপনাদের মাধ্যেমে আমার স্ত্রীর মর্যাদা ও ভরণপোষন সহ সন্তানের পিতৃত্বের দাবী জানাচ্ছি।
এই বিষয়ে চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,গত ১০ সালে ঘাসিরপাড়া গ্রামের জহুরুল হকের মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিনকে দ্বিতীয় বিয়ে করি। দাম্পত্য জীবনে আমাদের ৬ মাসের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। সাবিনা বিভিন্ন সময় আমাকে ব্ল্যাক মেইল ও মানসিক নির্যাতন করতো। কিছুদিন আগে সে আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার হুমকি দেয়। তার আচরণে অতিষ্ট হয়ে গত ৮ মে তালাক দিয়ে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করি। তালাকের খবর পেয়ে সাবেক স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে যা ভিত্তিহীন। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আইনের মাধ্যেমেই এই ঘটনার পরিসমাপ্তি হবে।
এব্যাপারে বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল রানা জানান, অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে। ঘটনা সত্য হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

