ভোরের কন্ঠঃ পাবনায় প্রেমিকের দেওয়া গর্ভপাতের ওষুধ খেয়ে জীবন-সংকটে এক তরুণী। বর্তমানে ওই তরুণী গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
প্রেমিক শিপন হোসেন (২০) উপজেলার করমজা ইউনিয়নের পুন্ডুরিয়া গ্রামের প্রবাসী জহির উদ্দিনের ছেলে। সে বেড়া সরকারি ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।
সাঁথিয়া থানায় আরিফা খাতুনের মা জমেলা খাতুনের লিখিত অভিযোগের বরাত দিয়ে ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, মেয়েটির মা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করেন। এ সুযোগে শিপন হোসেন তার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শিপন ওই তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
পরে ওই তরুণী প্রেমিক শিপনকে বিয়ে করতে চাপ দেয়। শিপন বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা তরুণীকে গর্ভপাত করতে বলে।
এক পর্যায়ে শিপন বুধবার (৬ মার্চ) কৌশলে ট্যাবলেট খাইয়ে তরুণীর গর্ভপাত ঘটায়। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ওই দিনই বেড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ব্যাপারে সাঁথিয়া থানার ডিউটি অফিসার এএসআই ইউসুফ বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

