একাত্তর বাংলাঃ বর্তমান কমিটির শীর্ষ নেতারাই হতে যাচ্ছেন ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্রার্থী। দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতাদের কথায় এমনই ইঙ্গিত মিলেছে।
এমনটা ঘটলে আলাদা প্যানেল দেয়ার হুমকি দিয়েছে ছাত্রলীগের ক্ষুব্ধ একটি অংশ। তবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিমের। প্রার্থী হতে চান ছাত্রলীগের প্রায় সব নেতা। দল ক্ষমতায় থাকায় এ সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না কেউই।
তারা বলছেন, প্রতিযোগিতা থাকাটা সংগঠনের জন্য ইতিবাচক, ছাত্রলীগ সুস্থ প্রতিযোগিতাকে সব সময় উৎসাহিত করে। যোগ্য নেতৃত্ব উঠে আসবে এটাই প্রত্যাশা তাদের।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি এখনো পূর্ণাঙ্গ হয়নি। ফলে এ দুই কমিটির সভাপতি ও সম্পাদককে দিয়ে চলছে সংগঠনটি। আবার এ ৪ জনকেই ডাকসুর শীর্ষ পদগুলোতেও প্রার্থী করার কথা ভাবা হচ্ছে।
ছাত্রলীগের কমিটিতে আসতে ইচ্ছুক নেতা-কর্মীদের বিবেচনা করা হচ্ছে ডাকসুর অন্যান্য পদ এবং হল সংসদের জন্য।
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, এই মুহুর্তে যারা নেতৃত্বে আছে তাদের মধ্য থেকেই নেতা খুঁজে বের করতে হবে।
বর্তমান কমিটির নেতারাই প্রার্থী হচ্ছেন ডাকসুতে- এমন ইঙ্গিত পেয়ে ক্ষুব্ধ ছাত্রলীগের একটি অংশ। উপেক্ষা করা হলে আলাদা প্যানেল দেয়ার কথাও ভাবছেন তারা।
তারা বলেন, সম্মেলনে আমরা মূল্যায়িত হইনি, ডাকসু-তে যেন আমরা মূল্যায়িত হই। ছাত্র পরিষদের সমন্বয়ে প্যানেল তৈরির চেষ্টা করবেন বলে জানান তারা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের নির্বাচন করার অধিকার আছে।
তবে ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা বাহাউদ্দিন নাছিমের আশা, শেষ পর্যন্ত থাকবেনা কোনো বিভেদ। তিনি বলেন, আবেগপ্রবণ হয়ে কেউ কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চাইলে তাকে বোঝানোর চেষ্টা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে থাকবে।
আগামী সোমবার বিকেল ৪ টার মধ্যে সংগ্রহ করতে হবে মনোনয়নপত্র। তাই শিগগিরই ঘোষণা করা হবে ছাত্রলীগের প্যানেল।

