একাত্তর বাংলা রিপোর্টঃ জেলা প্রশাসনসহ রাজনৈতিক দলগুলোর পৃথক পৃথক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে পতাকা উত্তোলন, বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় একাত্তরের শহীদ ও বীরমুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) নগরীতে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয় ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এইদিনে শত্রু মুক্ত হয়েছিল ময়মনসিংহ জেলা।
আয়োজক সূত্র জানায়, দিবসটি উপলক্ষ্যে এদিন সকালে জেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে নগরীর ছোটবাজার মুক্তমঞ্চে প্রথমে যথাযোগ্য মর্যাদায় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসটির সূচনা শেষে বর্ণাঢ্য একটি শোভাযাত্রা নগরীর দুর্গাবাড়ী, নতুন বাজার ঘুরে টাউনহল মাঠে গিয়ে শেষ হয়। পরে টাউন হলের তারেক স্মৃতি অডিটরিয়ামে ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বিভাগীয় কমিশনার মো: মোখতার আহমেদ, জেলা প্রশাসক মো: মুফিদুল আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার রোকনসহ বীরমুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে দিবসটির প্রথম প্রহরে সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১২টায় ময়মনসিংহ নগরীর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় শীতার্থদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।
এছাড়াও মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে নগরীর সার্কিট হাউজ সংলগ্ন বধ্যভূমিতে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মহানগর বিএনপি। এতে মহানগর বিএনপির ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধের ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে মুক্তিবাহিনী এবং এই অঞ্চলের জনতার সম্মিলিত প্রয়াসে ময়মনসিংহ অঞ্চল শত্রুমুক্ত হয়। ওইদিন ময়মনসিংহের আকাশে মুক্তিকামী মানুষের বিজয় মিছিলে উত্তোলিত হয় স্বাধীন দেশের জাতীয় পতাকা।

