একাত্তর বাংলাঃ সামনে আসছে বর্ষার ঘনঘটা। পাহাড় ধস জনিত দূর্ঘটনায় যাতে প্রান-হানি ও সম্পদের ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা যায় সে জন্য এবার বিশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার জনমনে স্বস্তি এনে দিয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ে বসবাসরত জনসাধারণের মনে শান্তির সুবাতাস বইছে।
তারা এখন আশাবাদী যে এবার হয়তো পাহাড় ধস থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। ২০০৭ সালে নগরীতে পাহাড় ধসে ১শ ২৭ জনের মৃত্যু হয়। বর্ষা আসলেই পাহাড় ধস চট্টগ্রামের জন্য যেন একটি আতঙ্কের নাম। প্রতি বছর পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা যেন নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সাম্প্রতিক বিভিন্ন গণমাধ্যেমে পাহাড় ধস জনিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর টনক নড়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দের । তারা নড়ে-চড়ে বসে এবং উদ্দ্যেগ নেয় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাহাড়ে বসবাসরত মানুষের জীবন ও সম্পদের বিনাশ হ্রাস করার পন্থা।
এ লক্ষ্য নিয়ে বিদেশী ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে পাহাড় রক্ষায় নেয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। কংক্রিটের তৈরি ব্লক পাহাড়ে বসানোর মাধ্যমে নগরীর ব্যক্তি মালিকানাধীন ও সরকারী পাহাড়গুলোকে ধস থেকে ঝুঁকিমুক্ত করা হচ্ছে।
পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা এড়াতে নিজস্ব অর্থায়নে পাহাড়গুলো সংরক্ষণের চেষ্টা চলছে।
তাই পাহাড় ধস রোধে ব্যক্তিমালিকানাধীন ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় সংরক্ষণে নেয়া হয়েছে উদ্যোগ।
বিশেষজ্ঞদের দাবি,পাহাড় না কেটে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাথর ও সিমেন্টের কংক্রিটের তৈরি ব্লক পাহাড়ে বসানোর মাধ্যমে একদিকে যেমন পাহাড় ধস রোধ করা হয়েছে তেমনি অবৈধভাবে পাহাড় কাটা বন্ধ করা হয়েছে।
গত বছর রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রামসহ পাঁচ জেলায় পাহাড় ধসে প্রাণ হারায় ১৬০ জন মানুষ।

