সুমন ভৌমিকঃ বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর দুর্দান্ত চৌকস সৎ ও সাহসী কিছু পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছে যারা তাদের সৎ ও সাহসীকতাকে পুঁজি করে সমাজের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে কাজ করে যাচ্ছেন। এসব পুলিশ কর্মকর্তা সমাজে ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছে। আর তাদের মধ্যে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা’র অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ কামাল আকন্দ (পিপিএম-বার) দুর্দান্ত চৌকস সৎ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে ময়মনসিংহে বেশ পরিচিতি লাভ করেছেন।
মোঃ শাহ কামাল আকন্দ ময়মনসিংহ গোয়েন্দা সংস্থা’র অফিসার ইনচার্জ হিসাবে যোগদান করার পর থেকে আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে ও অপরাধ দমনে অক্লান্ত পরিশ্রমে করে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। ময়মনসিংহবাসীর আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।
তিনি সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান (পিপিএম-সেবা) এর দিকনির্দেশনায় সততা বিশ্বস্ততা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে মাদক ক্রেতা-বিক্রেতা, সন্ত্রাসী, চুরি-ডাকাতি, খুন-ধর্ষন এর মতো মারাত্মক অপরাধের ঘটনার সাথে জড়িত এবং অসংখ্য সঙ্গবদ্ধ অপরাধী চক্রকে সাহসিকতার সাথে গ্রেফতার করে ময়মনসিংহ জেলায় ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন।
শাহ কামাল আকন্দ ময়মনসিংহ জেলার উর্ধতন কর্মকর্তার যে কোন নির্দেশনা বাস্তবায়নে অগ্রনী ভূমিকা রাখছেন। মাদকের পাশাপাশি ময়মনসিংহে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ নিমূলে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। যার ফলে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা সাফল্য পেয়েই যাচ্ছে। আর সাফল্যের স্বীকৃতি হিসাবে পেয়ে যাচ্ছেন একের পর এক পুরস্কার।
ডিবি ওসি শাহ কামাল ও তার তত্বাবধানে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় গত নভেম্বর মাসে বিপুল পরিমানে মাদক, চোরাই মোবাইল, পলিথিন ও চোরই অটোরিক্সা উদ্ধার করা হয়।
গত নভেম্বর/২০২০ মাসে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা’র অভিযানে ১১৫ গ্রাম হেরোইন (যার বাজার মূল্য-১১৫০০০০ টাকা), ২৬০৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট (যার বাজার মূল্য-১৩০১৫০ টাকা), ২০টি ইনজেকশন (যার বাজার মূল্য-২০০০ টাকা), ১০৪০ লিটার দেশীয় মদ (যার বাজার মূল্য-৩১২০০০ টাকা), ৩ কেজি ৬৫০ গ্রাম গাঁজা (যার বাজার মূল্য-৭৩০০০), ১৬ টি চোরাই মোবাইল (যার বাজার মূল্য-১১৮০০০ টাকা), ৩২০ কেজি পলিথিন (যার বাজার মূল্য-৫৭৬০০ টাকা), ২টি অটোরিক্সা (যার বাজার মূল্য-১৭০০০০ টাকা) ও জুয়া’র বোর্ড হতে নগদ ১২১৮২৫০ টাকাসহ সর্বমোট ৩১৮৪১০০ টাকার মাদক, চোরাই মোবাইল, পলিথিন ও চোরাই অটোরিক্সা উদ্ধার করে ৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া গত নভেম্বর মাসে এজাহার নামীয় আসামী ১২৪ জন এবং ১০৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

