একাত্তর বাংলাঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চার লেন প্রকল্পের কাজ গত ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। প্রকল্প পরিচালকের দাবি, আরো একটি সার্ভিস লেন, ২৯টি ব্রিজ, চারটি ফ্লাইওভার ও ১৪টি আন্ডারপাস নতুন সংযুক্ত করায় নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। এজন্য প্রকল্পের কাজ আরো প্রায় দেড় বছর বাড়ানো হয়েছে। এ কারণে এখনও মহাসড়কে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও গাড়ি চালকদের।
প্রথম পর্যায়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চার লেন প্রকল্পের ৭০ কিলোমিটারের কাজ গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু এখনও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ শেষ করতে না পারায় মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও গাড়ি চালকদের। তারা জানান, চার লেন হওয়ায় অসহনীয় যানজট ও দুর্ঘটনা কমলেও ভোগান্তি শেষ হয়নি।
চালকরা জানান, ‘রাস্তা খারাপের কারণে আমাদের গাড়ি চালাতে খুব কষ্ট হয়ে যায়। রাস্তায় খানাখন্দের সংখ্যা প্রচুর।’
যাত্রীরা বলেন, ‘গন্তব্যে পৌঁছাতে অন্তত ছয় থেকে সাত ঘণ্টা লেগে যায়। মানুষের সময়ের মূল্য অনেক বেশি। কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি রাস্তার কাজ যেন দ্রুত শেষ হয়।’
ডেইনকো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার জানান, ইতোমধ্যেই তাদের বেশিরভাগ কাজই শেষ হয়েছে। প্রজেক্ট ম্যানেজার দেবাশীষ দে বলেন, ‘প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে গেছে বলা যায়। আশাকরি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মূল কাজ শেষ করে ফেলবো।’
এদিকে প্রকল্পে আরো একটি সার্ভিস লেন, চারটি ফ্লাইওভার, ২৯টি ব্রিজ এবং ১৪টি আন্ডারপাস সংযুক্ত করা করা হয়েছে। এ জন্য কাজ পুরোপুরি শেষ করতে বাড়তি আরো প্রায় দেড় বছর সময় লাগবে।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক অমিত কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘এ কাজগুলো বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে আমরা পুরো কাজ শেষ করতে পারছি না। কিন্তু পুরানো কাজ আমরা শেষ করে ফেলেছি।’
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে ২৩টি জেলায় প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার গাড়ি চলাচল করে।

