সুমন ভৌমিকঃ সারা দেশব্যাপী হেফাজতে ইসলাম এর নাশকতার অংশ হিসেবে গত ২৮ মার্চ ময়মনসিংহে নাশকতা সৃষ্টি করে ব্যাপক ভাংচুর, জনযান চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে আইন-শৃংখলা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরার অভিযোগে পরদিন ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় অজ্ঞাত সাড়ে ৪শ থেকে সাড়ে ৫শ জন ব্যক্তিকে আসামী করে ১২৫ নং মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ব্যাপক স্বাক্ষ প্রমান সংগ্রহ ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে এবং আসামী সনাক্ত এর মাধ্যমে গ্রেফতার অভিযান শুরু করেন। এরই অংশ হিসাবে মাইজভারী মাদ্রাসা হতে হেফাজতে ইসলাম এর কেন্দ্রীয় কমিটি সহ-সভাপতি ও ইত্তেফাকুল উলামা এর কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ সাদী (৬৪) এবং ছোটবাজার দুধমহল নিউমার্কেট মসজিদ কোয়ার্টার এলাকা থেকে ময়মনসিংহ জেলা ইত্তেফাকুল উলামা এর সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মনজুরুল হক (৫২)-কে ২ মে রবিবার গ্রেফতার করেন ডিবি পুলিশ।
উল্লেখ্য, ধর্মের নামে আন্দোলনের কথা বলে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার মানসিকায় হেফাজতে ইসলাম এর সারা দেশব্যাপী নাশকতার অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ নগরীতে ব্যাপক নাশকতা চালায়। বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে কোমলমতি ছেলেদের নিয়ে কতিপয় ধর্মীয় নেতা ও আলেম এবং দাওরা হাদিসের ছাত্রদের নেতৃত্বে গত ২৮ মার্চ শহরের বিভিন্ন স্থানে সরকারি কাজে বাধাঁ, সরকারি সম্পদ ভাংচুর, যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে নাশকতা চালায়। দায়িত্বরত পুলিশ প্রায় শ’খানেক টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। সেই সময় কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদারসহ ৭ জন আহত হয়। পর দিন এসআই আবুল কাশেম বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় ১২৫ নং মামলা দায়ের করেন।

