আন্তর্জাতিক ডেস্ক
এতদিন ঘুমিয়ে ছিল ইন্দোনেশিয়ার লেওতোবি লাকি-লাকি আগ্নেয়গিরি। হঠাৎই তার ঘুম ভেঙেছে। এই ঘুমন্ত আগ্নেয় পর্বতটি সক্রিয় হয়ে অগ্ন্যুপাত শুরু করায় এর ঢাল ও পাদদেশে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর প্রাণ বাঁচাতে ঘাম ছুটেছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় আগ্নেয় পর্বতের আশপাশের এলাকা থেকে ২ হাজারেরও বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কেউ বাকি থাকলে তাকেও সরিয়ে নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা বেনেডিক্টাস বলিবাপা হেরিন।
ওই কর্মকর্তা জানান, সোমবার থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির পূর্ব নুসা টেংগারা প্রদেশের লেওতোবি লাকি-লাকি নামের একটি আগ্নেয় পর্বত সক্রিয় হয়েছে, পর্বতটিতে সেদিন থেকে শুরু হয়েছে অগ্ন্যুৎপাতও।
দেশটির আগ্নেয়গিরি এবং ভূতত্ত্ব গবেষণা ও এ ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা সেন্টার ফর ভলকানোলজি অ্যান্ড জিওলজিক্যাল হ্যাজার্ড মিটিগেশন (পিভিএমবিজি) জানিয়েছে, অগ্ন্যুৎপাতের ফলে নির্গত ছাই লেওতোবি লাকি-লাকি পর্বতটির জ্বালামুখ থেকে ৪ হাজার ৮০০ ফুট (১ দশমিক ৫ কিলোমিটার) পর্যন্ত ওপরে উঠছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে পিভিএমবিজি জানিয়েছে, পর্বতটির মোট দুটি জ্বালামুখ থেকে নির্গত হচ্ছে লাভা। তার মধ্যে একটিকে শনাক্ত করা গেলেও অপরটিকে এখনো চিহ্নিত করা যায়নি।
এএফপিকে হেরিন জানান, আগ্নেয়গিরি পুরোপুরি সক্রিয় হয়ে ওঠার আগেই পূর্ব নুসা টেংগারা প্রদেশের দুই উপজেলা উলাংগিটাং এবং বুরা থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ২ হাজারের বেশি মানুষকে।
‘উলাংগিটাং থেকে ১ হাজার ৯৩১ জন এবং বুরা থেকে ৩২৮ জন মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। লেওতোবি লাকি-লাকি পর্বতের সংলগ্ন বিভিন্ন গ্রামে থাকতেন তারা, এএফপিকে বলেন হেরিন।

