নিউজ ডেস্ক
৯ বছর বন্ধ থাকার পর ২৬ মার্চ আবার চালু হচ্ছে বিমানের ইতালির রোম ফ্লাইট। জেনারেল সেলস এজেন্ট নিয়োগ, স্টেশন চালু করাসহ সকল প্রস্তুতি চলছে। শুরুতে এই রুটে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এভিয়েশন বিশ্লেষকরা বলছেন, রোম ছাড়াও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে যাত্রী পরিবহন করা গেলে এই রুট বিমানের জন্য ব্যবসাসফল হতে পারে।
২০০৫ সাল পর্যন্ত ইউরোপ, আমেরিকা, জাপান, মধ্যপ্রাচ্যসহ এশিয়ার প্রায় ৩১টি রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এসব ফ্লাইট চালানো হতো পুরোনো আর ভাড়া করা উড়োজাহাজ দিয়ে। এতে খরচের সঙ্গে আয়ের সমন্বয় করতে না পারায় বন্ধ হয়ে যায় অনেক রুটের ফ্লাইট।
তবে বর্তমানে বিমানের বহরে যুক্ত হয়েছে ১৬টি বোয়িং কোম্পানির ৭৮৭, ৭৩৭, ৭৭৭ ড্রিমলাইনারসহ ২১টি অত্যাধুনিক উড়োজাহাজ। এছাড়া আরও ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনাও করা হচ্ছে। এতে বিমানের বহর বাড়তে থাকায় নতুন রুট ও বন্ধ থাকা রুটগুলো আবারও চালু করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এবারের গন্তব্য ইতালির রোম।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিউল আজিম বলেন, ‘আমরা যখন রোম শুরু করব, অন্যান্য বিষয়গুলো মাথায় রেখেই কাজ করছি। আমরা চাইছি প্রবাসীদের সর্বোচ্চ সেবাটা দিতে। আশা করছি, যে সময়ের মধ্যে আমাদের করার কথা, এ সময়ের মধ্যে অর্থাৎ মার্চের মধ্যে আমরা করতে পারব।’
বিমানের ৭৮৭ উড়োজাহাজ দিয়ে ইউরোপের এই রুটে সপ্তাহে ৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এতে সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে ৯ ঘণ্টার মধ্যেই গন্তব্যে যেতে পারবেন যাত্রীরা। তবে রুটটি ব্যবসাসফল করতে রোম ছাড়াও মিলান, ফাঙ্কফুর্টের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের পরামর্শ বিশ্লেষকদের।
এভিয়েশন বিশ্লেষক কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, শুধু রোমে ফ্লাইট পরিচালনা করলে হয়তো রোমের কিছু যাত্রী পাওয়া যাবে। কিন্তু অন্যান্য সিটিগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনা করতে হলে সেখানকার এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে।’
বিমানের রোম ফ্লাইটটি লাভজনক না হওয়ায় ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল বন্ধ হয়ে যায়। তবে এখন যাত্রী চাহিদা থাকায় লাভের আশা করছে বিমান।

