একাত্তর বাংলাঃ বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুযায়ী এপ্রিল থেকে মে মাস পর্যন্ত ক্রিকেট খেলার উপযোগী সময় নয়। এই সময়ে প্রচন্ড দাবদাহে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে।
এমনটাই জানিয়েছেন বিসিবি’র চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরী। জীবনের ঝুঁকি এড়াতে আইসিসি এ নিয়ে একটি নীতিমালা করতে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তবে, আন্তর্জাতিক আর ঘরোয়া ক্রিকেটের সূচির জন্য খেলা চালিয়ে নিতে হচ্ছে বিসিবির। এমন অবস্থায় এই সময়টায় ঝুঁকি এড়াতে ক্রিকেটারদের নানা পরামর্শ দিয়েছেন বিসিবি’র চিকিৎসক।
বাংলাদেশের এপ্রিল -মে মাসে সূর্য বেশ উত্তাপ থাকে। বাতাসের আদ্রতাও কম থাকে। লম্বা সময় প্রখর রোদে টানা পরিশ্রম করলে হিট স্ট্রোকের প্রবল সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে বেলা ১১টা থেকে তিনটা পর্যন্ত। এই চার ঘন্টা সূর্যের আলো মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর। বলছেন গবেষকরা।
অমন অবস্থার মধ্যে দিয়ে মঙ্গলবার-১০ এপ্রিল দেশের বিভিন্ন ভেন্যুতে শুরু হচ্ছে লঙ্গার ভার্সন ক্রিকেট লিগ বিসিএল। এই আসরে অংশ নিতে যাচ্ছেন দেশের অন্তত ৬০জন ক্রিকেটার। তাদের ব্যাপারে বিসিবি’র চিকিৎসকের কাছে প্রশ্ন ছিলো। ঐ ক্রিকেটাররাও কি হিট স্ট্রোকের ঝুঁকির মধ্যে আছেন?
বাস্তবতা হচ্ছে এই সময়ে হিট স্ট্রোকের প্রবল ঝুঁকি আছে। বলছেন চিকিৎসকরা। তাই এই সময়ে ক্রিকেট যারা নিয়মিত খেলছেন, তাদের সতর্ক করে দিলেন নানা পরামর্শ।
তিনি বলেন, ক্লোদিংটা গুরুত্বপূর্ণ। যত হাল্কা রঙের জামাকাপড় পরে খেলা যায় তত ভালো।
ক্রিকেটে পৃথিবীর অনেক দেশেই হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে ভিন্ন পরিকল্পনা করছে। ব্যাপারটি নজর কেড়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা- আইসিসি’র। তাই দূর্ঘটনা এড়াতে আইসিসি করতে যাচ্ছে নির্দিষ্ট নীতিমালা।
তিনি এসময় বলেন, খুব শীঘ্রই আইসিসির কাছ থেকে আমরা একটি নীতিমালা পাবো বলে জানা গেছে।
গেল বার এই সময়ে বেশ চোখে পড়েছে সীমিত ওভারের আসর প্রিমিয়ার ক্রিকেট চলা অবস্থায় অনেক ক্রিকেটারই অসুস্থ হয়ে মাঠ ছেড়েছেন।
কিন্তু, এবারো হিট স্ট্রোকের ঝুঁকির মাঝে দেশের ক্রিকেটাররা খেলতে নামবেন লঙ্গার ভার্সন ক্রিকেট। ব্যাপারটি কতটা নিরাপদ প্রশ্ন থেকেই যায়।

