একাত্তর বাংলাঃ দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ডিভিশনের বিষয়ে জেল কোড অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তবে, দুদকের আইনজীবী বলছেন, ডিভিশন পেতে যেতে হবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অথবা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। এদিকে, আইজি-প্রিজন জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনা হাতে না পাওয়ায় গত আট ফেব্রুয়ারি থেকে সাধারণ কয়েদি হিসেবেই কারাগারে আছেন বেগম জিয়া।
সকালে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ডিভিশন পাওয়ার ব্যাপারে আবেদন করেন বেগম জিয়ার আইনজীবীরা। ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে এ আবেদন করা হলে শুনানি শেষে ডিভিশন পাওয়ার ব্যাপারে জেল কোড অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, জেলকোডের বিধান অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ডিভিশন পাবেন। আমরা আদালতে পিটিশন করার পর আদালত আইন দেখে মঞ্জুর করেছেন। জেল কোডের বিধান অনুসারে এ আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা জেলা প্রশাসকের বরাবর পাঠাতে হবে বলে দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়। দুদকের আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল বলেন, ‘জেলকোডের বিধান অনুযায়ী এই আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অথবা ডিসি বরাবর প্রেরণ করতে হবে। জেলকোডের বিধান অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত দেবার মালিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অথবা ডিসি।’
এদিকে বেগম জিয়ার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে আপিল করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার দুদকের বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সকালে সময় সংবাদকে তিনি এ কথা জানান।
রোববার সকালে ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে ডিভিশন চেয়ে আবেদন করেন বেগম জিয়ার আইনজীবীরা। পরে শুনানি শেষে বিচারক এ আদেশ দেন। গত ৮ই ফেব্রুয়ারি দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। রায়ের পরই নাজিমউদ্দীন রোডের পুরাতন কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় বেগম জিয়াকে।

