ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: স্থানীয় একদল সন্ত্রাসী ঈশ^রগঞ্জের জাটিয়া ইউনিয়নের মাঝিয়া কান্দি গ্রামের হাসন আলী খাঁ এর পৈতৃক জমি রমজান খাঁ এর পুকুর পারিবারিক কবর স্থান বাড়ির জায়গা জোর পূর্বক বেদখলে চেস্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খবর নিয়ে জানা যায়, খতিয়ান নং ১২৪, দাগ নং বাড়ি ২১৫, কান্দা ২২০ মূলে দখল করে আসছে কয়েক যুগ ধরে রমজান খাঁ।
অপর দিকে অন্যায় ভাবে বেদখল করার জন্য ১. বিরাম খাঁ ২. মোতালেব খাঁ পিতা মৃত- রুস্তম খাঁ, ৩. সুরুজ খাঁ পিতা মৃত- জসিম উদ্দিন খাঁ, ৪. বাজিত খাঁ পিতা জমির খাঁ ৫. রাবিয়া বেগম স্বামী বিরাম খাঁ ৬. সুজিনা খাতুন স্বামী মোতালেব খাঁ ৭. হেলেনা খাতুন স্বামী সুরুজ খাঁ ৮. জীবুন্নাহার স্বামী বাজিত খাঁ জমি দখলকারী হীন প্রকৃতির লোক বটে। তারা প্রায়ই রমজান খাঁ এর পরিবারের লোকজনের প্রতি অত্যাচার করে আসছে। পুকুরের মাছ ধরে নিয়ে যাবার চেস্টা করে অনেক সময়। রমজান খাঁ আট জনকে আসামী করে ১৭৬/২০১৮ইং মামলা করে।
মামলাটি বর্তমানে ময়মনসিংহ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় বাদীকে বিভিন্ন হুমকি- ধামকি দিয়ে আসছে। গত কয়েক বছর পূর্বে বাড়িতে শালিস বসলেও অভিযুক্তরা সেখানে তাদের কাগজ পত্রাদি দেখাতে পারেনি।
এ নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় গণ্য মান্য ব্যাক্তিবর্গ শালিস করে মন্তব্য দেন। গত কয়েক দিন পূর্বে রমজান খাঁ এর বাড়ির আঙ্গিনায় জোর পূর্বক ভাবে বনের খ্যারের স্তুব দিতে চাইলে রমজান খাঁ এর পরিবারের লোকজন বাধা দেয়।
এ নিয়ে বকাবকি গালি গালাজ মামলা প্রত্যাহার না করিলে হুমকি দেয় বাদি পক্ষকে। এ বিষয়ে ঈশ^রগঞ্জ ভূমি অফিসের সার্ভিয়ার হাদিউল ইসলাম সরজমিনে তদন্ত করে।
স্থানীয় উপস্থিত ব্যাক্তিবর্গের নিকট জিজ্ঞাসাবাদে দেখা যায় বর্তমানে ভূমি বাদীর ভোগ দখলে রয়েছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আনিসুর রহমানের সাথে মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি প্রতিনিধিকে বলেন আদালতে মামলা বিচারধীন থাকায় জোর পূর্বক হস্থক্ষেপ করা উচিত নয়।

