আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২০২৩ সালে রপ্তানি আয়ে নতুন রেকর্ড করেছে আফগানিস্তান। এই সময়ে দেশটিতে ২০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয়ের রেকর্ড হয়েছে। আফগানিস্তান প্রশাসনের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। খবর খামা প্রেস নিউজ এজেন্সির।
তালেবান প্রশাসনের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল সালাম আখুন্দজাদা জাওয়াদ বলেছেন, আফগানিস্তান ২০২৩ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। তিনি বলেন, পাকিস্তান, ভারত, চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানের মতো দেশে পণ্য রপ্তানি করেছে আফগানিস্তান।
আব্দুল সালাম আখুন্দজাদা বলেন, ২০২৩ সালে আফগানিস্তানের রপ্তানি আগের বছরগুলোর তুলনায় দুই শতাংশ বাড়ে। বাণিজ্য আরও বিকাশের জন্য দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
আখুন্দজাদা জোর দিয়ে বলেন, ২০২৩ সালে আফগানিস্তান ১৯০ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। দেশটির সলং মহাসড়কের সংস্কার, কয়লা রপ্তানি হ্রাসের কারণে এই রেকর্ড পরিমাণ রপ্তানি আয় এসেছে। এমনকি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমস্যা থাকা সত্ত্বেও সেখান থেকে রপ্তানি আয় দুই শতাংশ বেড়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আসা রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ১০ লাখ ডলার।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, পাকিস্তান, উজবেকিস্তান ও তাজিকিস্তানে আফগানিস্তানের রপ্তানি কমেছে, তবে ভারত, চীন ও কাজাখস্তানে বেড়েছে।
তালেবানের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, আফগানিস্তানের রপ্তানি বৃদ্ধি, একটি বাণিজ্য তথ্য কেন্দ্র ও রপ্তানি নথিপত্রের জন্য একটি একক কেন্দ্র স্থাপন, রপ্তানি বর্ধিতকরণ প্রকল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রক্রিয়া এবং রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য মানবসম্পদ বাড়ানোকে আফগানিস্তানের ভবিষ্যতের জন্য উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে, করাচিতে আফগান ব্যবসায়ীদের সম্পদের ওপর নিষেধাজ্ঞার ফলে ২ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। তবে, বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত বছরের প্রথম তিন মাসে আফগানিস্তানের রপ্তানি চার শতাংশ ববাড়ে এবং দেশটি জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ৬০ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে।

