একাত্তর বাংলাঃ দিনভর হৈ-হুল্লোড়, ছোটাছুটি আর নেচে-গেয়ে আনন্দময় একটি দিন পার করলো দুই হাজার বিশেষ শিশু।
‘আহমেদ আব্দুর রহমান ট্রাস্টের’ উদ্যোগে শনিবার (২ মার্চ) রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে অনুষ্ঠিত হয় বার্ষিক আনন্দমেলা ও বনভোজন। এতে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে সাথে খুশি অভিভাবকরাও।
বিশেষ শিশুদের আনন্দ যেন বাঁধনহারা। প্রাণ খুলে হাসি, ইচ্ছেমত দৌড়-ঝাঁপ। সময়টা যেন শুধুই উৎসবের। শুধুই উপভোগের। ইচ্ছেমত আনন্দ আর ছোটাছুটির পাশাপাশি ছিল নাচ-গান-কবিতাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন।
আহমেদ আব্দুর রহমান ট্রাস্টের উদ্যোগে শনিবার দিনভর এমনই আনন্দ-আয়োজনে মাতে শিশুরা। রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির আরপি সিটি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই বার্ষিক আনন্দ মেলায় অংশ নেয় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মানসিক বিকাশে কাজ করা সংগঠন-সুইড। এমন আয়োজনে অংশ নিয়ে শিশুরা যেমন ছিল ফুরফুরে ও প্রাণবন্ত তেমনি অভিভাবকরাও ছিলেন অনেকটাই নির্ভার ও তৃপ্ত।
এক অভিভাবক বলেন, ‘বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষ স্বাভাবিক মানুষের থেকে অনেক ভাল। আমরা যারা এই ধরনের সন্তানের পিতামাতা তাদের জীবন আসলেই চ্যালেঞ্জিং’
বিশেষ এ শিশুদের আত্মপ্রত্যয়ী ও আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ছিল আয়োজকদের। আহমেদ আব্দুর রহমান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভুঁইয়া বলেন, ‘সরকার বিষয়টিকে যদি উৎসাহিত করে তাহলে অনেক কুসংস্কার থেকে মুক্ত হওয়া যাবে। তাদের যে কি মেধা বোঝানো সম্ভব নয়। আমরা এটা সামাজিক কাজে এবং রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যবহার করতে পারি। ‘
সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পেলে এই শিশুরই একদিন পরিণত হবে দক্ষ মানবশক্তিতে।

