একাত্তর বাংলাঃ মানিকগঞ্জে লতা আক্তার (১৯) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে গরম পানি দিয়ে ঝলসে দিয়েছেন তারই স্বামী সুজন মিয়া(২৩)।
এ ঘটনায় সোমবার (০৮ এপ্রিল) লতার বাবা বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করছেন। এদিকে, লতা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে।
লতার বাবা বিশা খাঁ জানান, এক বছর আগে সদর উপজেলার সুজনের সঙ্গে লতার বিয়ে হয়। পেশায় রাজমিস্ত্রী সুজন বিয়ের পর থেকে তার মেয়েকে বিভিন্ন অজুহাতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছে। এদিকে, লতা সাড়ে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
গত রোববার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুজন লতার শরীরে গরম পানি ঢেলে দেয়। এতে লতার পিঠ ও দুই হাত ঝলসে যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে লতার বাবা সন্ধ্যায় সুজনদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হাসপাতালে যন্ত্রণায় কাতর লতা আক্তার জানান, প্রায় সময় কোনো না কোনো কিছুর অজুহাতে তার স্বামী সুজন তাকে মারধর করে।
মানিকগঞ্জ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. লুৎফর রহমান জানান, গরম পানিতে লতার ৩০ ভাগ শরীর ঝলসে গেছে। সে বর্তমানে শঙ্কামুক্ত।
মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিস ইনচার্জ রাকিবুজ্জামান বলেন, শরীরে গরম পানি ঢেলে দেয়ার অভিযোগে লতা আক্তারের বাবা একটি অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরেই হাসপাতালে ও ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত সুজন পলাতক।

