এস এম আকাশঃ ময়মনসিংহের তারাকান্দার অটোভ্যান চালক সিয়াম (১৩) হত্যার রহস্য উদঘাটন করে ২ ঘাতক ফুলপুরের চকহরিরামপুরের খাইরুল ইসলাম (১৬) এবং মোঃ মিজানুর রহমান ওরফে মেজু (১৭) এবং নগরীর র্যালীর মোড় থেকে লুন্ঠিত ভ্যান ক্রেতা রতন কুমার সাহাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।
অটো চালক সিয়াম বয়স ১৩, ফুলপুর ভাইটকান্দী হাইস্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। পাশাপাশি সময় পেলে অন্যের অটো ভাড়ায় চালায়। গত ২৯ জানুয়ারি শুক্রবার প্রতিদিনের ন্যায় দুপুর ১২টায় কাকনি গ্রামের রিয়াজত এর অটো ভ্যান ভাড়া চালানোর জন্য বের হয়। কিন্তু প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যায় সে আর বাড়ী ফিরে নাই। রাত থেকে তাকে খোঁজা শুরু হয় পরিবারের পক্ষ থেকে।
পরের দিন ৩০ জানুয়ারি শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় তারাকান্দা কাটলী বাজার ব্রীজের নীচে তার মৃতদহে উদ্ধার হয়। তার চালিত অটো ভ্যানটি পাওয়া যায় নাই।
উক্ত ঘটনায় তারাকান্দা থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা রুজু হয় এবং পুলিশ সুপার ময়মনসিংহ মামলাটির তদন্তভার জেলা গোয়েন্দা শাখায় ন্যাস্ত হয়।
ওসি ডিবি তার টিমসহ ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য রাতদিন এলাকায় অবস্থান করে ৩ দিনের মধ্যে ঘটনায় জড়িত ২ ঘাতককে ঢাকা কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
অটো ভ্যান ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই ২ ঘাতক ঘটনার দিন ভিকটিমের ভ্যান ২ শত টাকায় ভাড়া নিয়ে তারাকান্দা নিয়ে যায়। সারাদিন তাকে নিয়ে তারাকান্দা এলাকায় ঘুরাফরো করে। সন্ধ্যারপর ঘটনাস্থলে নিয়ে ব্রীজের নীচে নির্মম ভাবে হত্যা করে লাশ ফেলে ভ্যান নিয়ে ময়মনসিংহে শহরে আসে। পাটগুদাম র্যালীর মোড় রতনের গ্যারজেে ৫ হাজার ৯ শত টাকায় ভ্যান বিক্রি করে টাকা নিয়ে ঢাকায় চলে যায়।
উল্লেখ্য, ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের প্রচেষ্টার ফলে মাত্র ৩ দিনে আলোচিত এই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটিত হয় এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়।

