একাত্তর বাংলা রিপোর্টঃ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে কালীপুজোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সারা বছর বিভিন্ন অমাবস্যার তিথিতে মা কালীর বিভিন্ন রূপের পুজো করা হয়। মন্দিরের পাশাপাশি অনেকেই বাড়িতেও কালীপুজো করেন। দুর্গাপুজোর পরে যে কালীপুজো হয়, তাকে দীপান্বিতা পুজো বা দীপাবলিও বলা হয়। অনেকে আবার এই দীপাবলিতে বাড়িতে লক্ষ্মী-গণেশের পুজো করেন।
কালীপুজোর নিয়ম বেশ কঠিন। বেশ রাতে পুজো হয়। ভক্তরা দিনভর উপবাসের পরে মা কালীর পুজো দেন। মা কালীর পুজোয় নানা নিয়ম রয়েছে। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে পূজার্চনা। এমনকি কালীপুজোয় অনেক জায়গায় এখনও বলি দেওয়ার প্রথা প্রচলিত রয়েছে।
শাস্ত্র মতে, মা কালী ১১ রূপের আলাদা আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। কালীপুজো বা দিপাবলীর এই আরাধনাকে শ্যামা পুজো বা মহানিশি পুজোও বলা হয়। কার্ত্তিক অমাবস্যার রাতে কালীপুজো করা হয়।
প্রতি বছর কার্ত্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে কালীপুজো হয়। পঞ্জিকা মতে নিশিতা কালে এই পুজো হয়। এ বছর কার্ত্তিক অমাবস্যা পড়েছে বাংলাদেশের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর ২০২৪ (১৫ কার্তিক), বৃহস্পতিবার।
অমাবস্যা তিথি বাংলাদেশের সময়– ৩১ অক্টোবর রয়েছে কালীপুজো। একটি মত বলছে সেদিন, দুপুর ৩ টে ৩৭ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে পড়ছে অমাবস্যা। আর অমাবস্যার এই তিথি শেষ হবে ১ নভেম্বর সন্ধ্যা ৫ টা ৩৮ মিনিট ০৭ সেকেন্ডে। ভিন্নমতে, ৩১ অক্টোবর দুপুর ৪ টে ২২ মিনিটে পড়বে অমাবস্যা। পরের দিন ১ অক্টোবর দুপুর ১ টা ১৮ মিনিটে তিথি শেষ হবে। কালীপুজোর শুভ মুহূর্ত ৩১ অক্টোবর রাত ১২ টা ১৮ মিনিটে পড়বে, পরদিন ১ নভেম্বর দুপুর ১ টা ১৮ মিনিট পর্যন্ত থাকবে।

