একাত্তর বাংলাঃ চট্টগ্রামে ছাত্র সংঘাত এবং অস্থিরতা প্রতিরোধে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের অনুকরণে এবার স্টুডেন্ট পুলিশিং কার্যক্রম চালু করেছে সিএমপি।
বিশেষ করে নগরীর স্কুলগুলোতে জঙ্গিবাদ, মাদক, ইভটিজিং এবং সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে সভা করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১০ সদস্যের কমিটিও গঠন করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ৫০টির বেশি স্কুলে গঠন করা হয়েছে স্টুডেন্ট পুলিশিং কমিটি।
অ্যাসেম্বলি কিংবা মধ্যাহ্ন বিরতির সময় নগরীর ১৬টি থানা এলাকার স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের সাথে বৈঠক করছেন পুলিশ সদস্যরা। তুলে ধরছেন স্টুডেন্ট পুলিশিংয়ের নানা দিক।
বিশেষ করে জঙ্গিবাদ, মাদক এবং ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতাকেই প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে সবচে বেশি।
অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসিন বললেন, মাদক নিয়ে তাদের সচেতন করেছি। মাদক জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তাদের জন্য প্রোগ্রাম করতেছি। তাদের সাথে আমাদের যোগাযোগটা বাড়াচ্ছি।
গত বছরের ছাত্র আন্দোলন ছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামে স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে বেশক’টি প্রাণঘাতি ঘটনা ঘটেছে। সে সাথে শিক্ষার্থীদের মাঝে সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত প্রবণতা আশংকাজনক হারে বাড়ছে বলে তথ্য রয়েছে পুলিশের কাছে।
এসব প্রতিরোধে স্টুডেন্ট পুলিশিং কনসেপ্ট বলে জানালেন মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তারা।
শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের এসব সভায় অংশ নিচ্ছেন স্কুলের প্রধানরাও। শিক্ষার্থীদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা প্রতিরোধে স্টুডেন্ট পুলিশিং’কে তারাও ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন।
ডা. খাস্তগীর বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহেদা আক্তার বলেন, তারা অনেকসময় ফেসবুক চালায় বা গেম খেলে, এসব করার সময় তারা বিপদে পড়তে পারে। তখন যেন তারা পুলিশের সাহায্য নেয় সে ব্যবস্থা করতে হবে।
নগরীতে ছোট-বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫’শর বেশি। যেখানে শিক্ষার্থী’র সংখ্যা কয়েক লাখ।

