একাত্তর বাংলাঃ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে আর্থিক সুবিধা নিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালীরা ওই কিশোরীকে ধর্ষকের সঙ্গে বাল্যবিয়ে করানোর চেষ্টা করে। এতে অভিযুক্ত ধর্ষক কাজীর সহকারীসহ ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (০৭ এপ্রিল) রাতে সদর উপজেলার ফতুলা থানার সস্তাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে ওই কিশোরী ছাদে কাপড় শুকাতে গেলে প্রতিবেশী নাসির মিয়া তাকে তার রুমে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে কিশোরী বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। এরপর কিশোরীকে গুরুতর অবস্থায় তার পরিবার নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিশোরীর পরিবারকে থানায় মামলা করতে উদ্যোগ নিলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা বিষয়টি সামাজিকভাবে ধামাচাপা দিতে কিশোরীর পরিবারকে চাপ দেয়। তারা ধর্ষকের পরিবারের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে রাতেই এলাকার কাজীর সহকারী ফিরোজ আলমকে এনে কিশোরীকে নাসিরের সঙ্গে জোরপূর্বক বাল্যবিয়ে পড়ানোর ব্যবস্থা নেয়।
বিষয়টি এলাকার লোকজন জানতে পেরে পুলিশ খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে ধর্ষক নাসির মিয়া(২৫), ফিরোজ আলম(৪৫), খোরশেদ আলম খুশু(৪৫), আনোয়ার হোসেন(৪৫), মনির হোসেন(৪৬),আরিফুর রহমানকে(৩৫) আটক করে।
এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক আব্দুল আজিজ জানান, কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক নাসিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাল্যবিয়ে পড়ানোর অভিযোগে কাজীর সহকারী ফিরোজ আলমসহ ৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
সূত্রমতে, প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

