কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩য় ধাপে অনুষ্ঠিত কটিয়াদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সময় ভোট গ্রহণের পূর্বরাতে জোর পূর্বক ব্যালট পেপারে সিল মারা ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে আগামী ০৯ থেকে ১১ এপ্রিল নির্বাচন অনিয়ম বিষয়ক তদন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ কামাল উদ্দিন বিশ্বাস এর নেতৃত্ব দিবেন। কমিটির অপর দুই জন সদস্য হলে ঢাকা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মন্ডল ও নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব (সংস্থাপন-২) মোঃ শাহ আলম। তারা কটিয়াদী উপজেলা পরিষদ হলরুমে আগামী ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত প্রতিদিন প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য গ্রহণসহ তদন্ত কাজ করবেন।
তদন্ত কমিটি উল্লেখিত কেন্দ্র সমূহের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার, পোলিং এজেন্ট ও আইনশৃংখলা রক্ষাকারী আনসার, পুলিশ, র্যাব, বিজিবির সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
এছাড়াও ১১ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, দায়িত্বপ্রাপ্ত জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবি, র্যাব, প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম, কটিয়াদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শামছুদ্দিনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও ঐ দিন বিকেলে কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন অফিসার, রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসারগণের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে।
কমিটি প্রকৃত ঘটনার উদঘাটন, ঘটনার সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করণ, আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব নির্ধারণ, বর্তমান পরিস্থিতি ও পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুপারিশ প্রণয়ন এবং উক্ত অনিয়ম সম্পর্কে অন্যান্য বিষয়ে মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিল করবেন।
উল্লেখ্য গত ২৪শে মার্চ কটিয়াদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্বেই ব্যালট পেপারে সীল মেরে ব্যালট বাক্স পূর্ণ করার অভিযোগে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম কটিয়াদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন স্থগিত করা হয়।
৮টি কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শফিকুল ইসলাম ও কটিয়াদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুদ্দীন অন্যায় প্রভাবিত হয়ে এই কাজ করেন।

