একাত্তর বাংলাঃ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মতো বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ারও সুচিকিৎসার অধিকার আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতারা।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বেগম জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বক্তব্য রাখেন।
তারা বলেন, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকারকে পুনর্নির্বাচনে বাধ্য করা হবে। বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে মামলাগুলো জামিনযোগ্য হলেও সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে তাকে আটকে রেখেছে বলেও অভিযোগ করেন নেতারা।
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, কাদের সাহেবের আশু রোগমুক্তি কামনা করেই বলতে চাই, উনার যেমন চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার আছে, তার চাইতেও উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রাখেন খালেদা জিয়া। তাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খোন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এ সরকার চরমভাবে অমানবিকও বটে। তা না হলে ৭৩ বছর বয়স, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, দুইবারের বিরোধী দলের নেত্রী, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায়, নির্জন কারাগারে দিনের পর দিন তিলে তিলে শেষ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে।
মানববন্ধনে দেয়া বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ক্ষমতা হারানোর ভয়ে বেগম জিয়াকে আটকে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, তারা মনে করে দেশনেত্রী চিকিৎসা নিতে গেলেও তারা ক্ষমতা হারাবে।
বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেন, এ দেশের মানুষ তাদের ওপর আস্থা হারিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা হারিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে প্রথম যে কার্যটি আমাদের করতে হবে, তা হচ্ছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। আইনি লড়াই যেমন চলছে, চলবে। সেই সঙ্গে সংগঠনকে শক্তিশালী করে, জনগণের ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে আমাদের দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

