একাত্তর বাংলাঃ আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং রেট কমতে থাকায় দেশের বাজারে শুধু চিনি ছাড়া বাকি সব ভোগ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে। বিশেষ করে ভোজ্য তেল, ডাল এবং আদা ও পেঁয়াজের মতো ভোগ্য পণ্যের দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে এক থেকে তিন টাকা পর্যন্ত কমেছে।
শীত পেরিয়ে গরমের মৌসুম আসতে শুরু করায় বাড়তে শুরু করেছে সয়াবিনের বিপরীতে পাম অয়েল এবং সুপার সয়াবিনের চাহিদা। কিন্তু বুকিং রেট কমতে থাকায় সব ধরণের ভোজ্য তেলের দাম’ও নিয়ন্ত্রণে আসছে।
আর এন এন্টারপ্রাইজের মালিক আলমগীর পারভেজ বলেন, কেজি প্রতি দুই থেকে তিন টাকা কমে গেছে। আন্তর্জাতিক রেট পড়ে যাওয়ার কারণে তেলের দাম কমেছে।
ভারত থেকে লাগামহীনভাবে আমদানি হওয়ায় সাধারণ মানের প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ১০ টাকা। রসুনের দাম সামান্য বাড়লেও কমেছে আদার দাম। সৌমিক ট্রেডার্সের মালিক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, রসুনের আমদানি কম হওয়ায় গত সপ্তাহে ৭০ থেকে ৭২, এ সপ্তাহে ৭৮ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
প্রায় দু’মাস হতে চললো, নিয়ন্ত্রণে আসছে না চিনির দাম। এ সপ্তাহেও পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি চিনির দাম বেড়েছে ৫০ পয়সা করে। ব্যবসায়ীরা বলেন, মসুর ও মুগডালের দাম এক টাকা কমেছে।
প্রতিদিন ৫শ’ থেকে ৭শ’ কোটি টাকার লেনদেন হয় দেশের সবচেয়ে বড় ভোগ্য পণ্যের বাজার চট্টগ্রামের চাক্তাই, আছাদগঞ্জ ও খাতুনগঞ্জে। দেশের ভোগ্যপণ্যের বাজার পুরোপুরি আমদানি নির্ভর হওয়ায় আন্তর্জাতিক বুকিং রেটের সরাসরি প্রভাব পড়ে। তাই উপযুক্ত সময়ে ভোগ্যপণ্য আমদানির জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

