সুমন ভৌমিকঃ গত ৩০ জানুয়ারী সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী নির্বাচিত করার উপলক্ষ্যে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের মাটি ও মানুষের নেতা সাবেক ধর্মমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস ছালাম সরকার এবং সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক মন্ডল।
বর্ধিত সভায় সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য সভায় নেতৃবৃন্দরা সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূল কাউন্সিলরদের ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী নির্বাচিত করা হবে। ২৮০ জন তৃনমূল কাউন্সিলরদের বিপুল কন্ঠ ভোটে সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ নেয়ার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক-আশরাফ হোসাইন।
কিন্তু ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতৃবৃন্দরা ষড়যন্ত্রের জাল বুনে ও তৃণমূল কাউন্সিলরদের আকাংঙ্খাকে বঞ্চিত করে আশরাফ হোসাইন এর নাম বাদ দিয়ে প্রার্থীর চুড়ান্ত লিস্ট কেন্দ্রে পাঠায়।
প্রচলিত একটি প্রবাদ বাক্য আছে “রাখে আল্লাহ মারে কে”, ঠিক এমনি ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা তৃণমূল কাউন্সিলরদের ডিমান্ডকে গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করলেন এবং আশরাফ হোসানকে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন দেন।
তৃণমূল কাউন্সিলররা একাত্তর বাংলাকে জানান, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের মূল্যায়ন করেছেন এবং এরই মাঝে আমাদের আকাংঙ্খার জয় হয়েছে।
তৃণমূল কাউন্সিলররা আরো বলেন, আশরাফ হোসানকে সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটে বিজয় ছিনিয়ে এনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিবো।
সব জল্পনা-কল্পনা ছাপিয়ে ময়মনসিংহের আশরাফ হোসাইন নৌকার মাঝি
Date:

