স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি হিসাবে অর্ন্তভূক্তি করণের দাবিতে মঙ্গলবার সকালে ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে শিক্ষার্থীরা।

এ সময় তারা কলেজের প্রধান ফটক,প্রশাসনিক ভবনসহ সকল রুমে তালা ঝুলিয়ে দেয়। ফলে কলেজটির সকল দাপ্তরিক কাজ বন্ধ হয়ে গেছে।
জানা গেছে,মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাস পরীক্ষাসহ সকল কার্যক্রম বর্জন করে ক্যাম্পাসে এসে জড়ো হয়।
পরে ওইস্থান থেকে বিক্ষোভ মিছিলসহকারে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিন করে একইস্থানে এসে শেষ হয়। সে সময় এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্রনেতা ফাইম হাসান, জাহিদ হাসান, মিনহাজুল আবেদীন, লুবন্নান মাহফুজ মিশুক ও মাহফুজা আক্তার প্রমুখ।

মিছিল শেষে তারা কলেজের প্রধান ফটক ও প্রশাসনিক ভবনসহ সকলস্থানে তালা ঝুলিয়ে দেয়। তাদের দাবি মানা না হলে আগামী তৃতীয় বর্ষের ফাইনাল সেমিষ্টারের পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন অব্যাহত রাখবে বলে তারা হুশিয়ারী উচ্চারন করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ,কলেজে যোগ্যতা সম্পর্ন কোন শিক্ষক নেই। গ্রাম-গঞ্জের পশুপালন চিকিৎসক দিয়ে তাদের অধ্যায়নরত ৬টি ব্যাচের ৩৬০ শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে।
অধ্যায়রত শিক্ষার্থীদের ভাতা দেওয়ার কথা থাকলেও তা বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে কলেজটি যে প্রজেক্টের টাকা দিয়ে চলছিল সেটি এখন বন্ধ হয়ে গেছে।

কলেজের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৪/৫ মাস ধরে বেতন পায় না। এতে শিক্ষকদের ক্লাস নেওয়ার গুরুত্ব কমে গেছে। তাছাড়া কলেজের পড়াশুনা শেষ করলেও কলেজ থেকে তাদের অধ্যায়নরত সাবজেক্টের সার্টিফিকেট দিতে পারে না। সেই জন্য শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি হিসাবে অর্ন্তভূক্তির দাবি করে আসছে এবং স্থানীয় জেলা প্রশাসকসহ সরকারের উচ্চ সকল পর্যায়ে স্মারকলিপিও প্রদান করেছে।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ন্তভূক্তি থাকলে সকল সমস্যা সমাধান হবে বলে তারা মনে করেন। এব্যাপারে ভেটেরিনারী কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ অমলেন্দু ঘোষ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও তালা ঝুলানোর ঘটনাটি স্বীকার করে জানান, বিষয়টি আমি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। তারা যে সিন্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

