একাত্তর বাংলাঃ অবশেষে দেশের ভোজ্য তেলের বাজারে স্থিরতা ফিরতে শুরু করেছে। দেড় মাস পর এ সপ্তাহে প্রতি মণ ভোজ্য তেলের দাম কমেছে ২৮ থেকে ৩০ টাকা। তবে নানা অজুহাতে এখনো বাড়ছে চিনির দাম। এদিকে পিঁয়াজের দাম কেজি প্রতি এক টাকা কমলে’ও দু’টাকা করে আদা ও রসুনের দাম বেড়েছে।
চলতি বছরের শুরু থেকেই বাড়ছিল সব ধরণের ভোজ্য তেলের দাম। টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে ভোজ্য তেলের দাম মণ প্রতি আড়াইশ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যায়। তবে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে বুকিং রেট কমতে থাকায় এ সপ্তাহে এসে ভোজ্য তেলের দাম মণ প্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
খাতুনগঞ্জের আর এন এন্টারপ্রাইজের মালিক আলমগীর পারভেজ বলেন, চাহিদা কম থাকায় এবং জোগান বেশি থাকায় বাজার কমে দিকে রয়েছে।
চিনির দাম এখনো নিয়ন্ত্রণে আসার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। মিলগুলো থেকে পর্যাপ্ত চিনির সরবরাহ না পাওয়ার অজুহাতে প্রতি মণ চিনির দাম বেড়েছে অন্তত ২৫ টাকা।
আলতাফ অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক আবদুল গফফার বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দর বৃদ্ধি এবং ডলার দাম বেড়ে যাওয়ায় দাম বেড়েছে।
আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দেশে উৎপাদিত নতুন ডাল বাজারে আসতে শুরু করবে। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা পুরাতন ডাল ছেড়ে দেয়ায় দাম কমেছে।
খাতুনগঞ্জের মেসার্স আর এন ট্রেডার্সের সত্ত্বাধিকারী জ্যেতির্ময় চৌধুরী বলেন, নতুন ডালের আমদানি শুরু হওয়ায় দাম কমতে শুরু করেছে।
সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় কেজিতে এক টাকা কমে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪ টাকায়। কিন্তু হঠাৎ করে আদা ও রসুনের দাম কেজি প্রতি দু’টাকা বেড়ে গেছে।
মেসার্স হাজী অছি উদ্দিন সওদাগরের মালিক রুহুল আমিন চৌধুরী বলেন, দেশীয় ফসল ওঠার কারণে পেঁয়াজের দাম কমেছে এবং রসুনের সিজন শেষের দিকে থাকায় দাম বেড়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থল বন্দর দিয়ে আমদানি করা ভোগ্য নিয়ে পাইকারি বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয় চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ এবং আছাদগঞ্জের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে।

