একাত্তর বাংলাঃ সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবি ‘যৌক্তিক’ উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান। বুধবার বেলা ১২টার দিকে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন তিনি।
উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের মেয়েরা-ছেলেরাই কিন্তু রাস্তায়। কোটা সংস্কারের এই দাবির প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে সংহতি প্রকাশ করে আমরা সরকারকে বলেছি যে, দ্রুত একটি ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হোক যাতে তাদের একটা স্বাভাবিক জীবনে চলে আসে। কারণ, তাদের পরিবার, পিতা-মাতার প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা আছে, দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা আছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিও তাদের দায়বদ্ধতা আছে। তারা কখনও ক্লাব বা পরীক্ষা বর্জন করেনি। শুধুমাত্র কোটা সংস্কারের আন্দোলনের গিয়ে তারা এই বক্তব্যগুলো দিয়েছে এবং কিছু যৌক্তিক সংস্কারের কথা বলছে। যুগের সাথে এই পরিবর্তনটা খুবই জরুরি।
সরকারের কাছে এ বিষয়টি খুব জোরালোভাবে উপস্থাপন করেছেন বলে জানান ঢাবি উপাচার্য। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং শিক্ষকরা সংহতি জ্ঞাপন করেছেন বলেও জানান তিনি।
অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, ‘সংস্কার এমন একটি বিষয় যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণার সঙ্গে যায়। একটি বিশ্ববিদ্যালয় কখনও স্থবির অবস্থায় থাকে না। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া যেখানে সবসময় সংস্কারকে স্বাগত জানানো হয়। আমরা একেবারেই যৌক্তিকভাবে মনে করি যে সংস্কারের খুবই প্রয়োজন।’
তাদের দাবির প্রতি দৃষ্টি না দিয়ে এটিকে বিলম্বিত করাতে সবারই ভোগান্তি বাড়ে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

