একাত্তর বাংলাঃ সিটি কর্পোরেশন থেকে মশা নিধনে এবার সাড়ে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও রাজধানীতে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ নগরবাসী।
তারা বলছেন, ওষুধ ছিটানো হলেও এর কোনো কার্যকারিতা নেই। আবার অনেক এলাকায় ছিটানো হয়নি ওষুধ। যদিও সিটি কর্পোরেশনের দাবি, সব ধরণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এবারও ছড়াতে পারে মশাবাহী রোগ।
দিনের আলোতেই মশার এ দৃশ্য ধারণ করা হয় রাজধানীর মিরপুরের শেওড়া পাড়া থেকে । সেখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন অনেকটাই অতিষ্ঠ । অন্যদিকে পড়ার টেবিল ছেড়ে খাটে মশারির ভিতরে পড়ছিলেন এবারের এইচএসসি পরীক্ষার্থী তালহা। দুই সন্তানের সুস্থতার নিরাপত্তার জন্য দিনে মশা থেকে রেহাই পেতে দিনের বেলাতেই মশারি টানিয়ে সন্তানদের নজরদারি করছিলেন তাদের অভিভাবক।
এদিকে রাজধানীর অনেক এলাকাতে মশা নিধনে সিটি কর্পোরেশনের কোন কার্যকরি উদ্যোগ নেই বেল অভিযোগ স্থানীয়দের। আর মশা নিধনে এখনও যদি কার্যকরি ব্যবস্থা না নেয়া হয় তবে জনস্বাস্থ্য ব্যাপকভাবে ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা চিকিৎসকদের
তবে মশাবাহিত রোগের কোন আশঙ্কা নেই জানিয়ে সিটি কর্পোরেশন বলছেন, নগরবাসীর সুরক্ষায় মশা নিধনের সব ধরনের ব্যবস্থাই নেওয়া হয়েছে । মশার জন্ম বিভিন্ন অপরিষ্কার ডোবা- নালা ও অনেকদিনের জমাট পানি থেকে তাই কেবল সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে মশা নিধন সম্ভব নয় বলেও জানান এই কর্মকর্তা । এর জন্য জনগণকে আগে সচেতন হতেও পরামর্শ দেন তিনি।
প্রতি বছরই রাজধানীতে এসময়ে মশার প্রকোপ বেড়ে যায় । যা কিনা অনেক মৌসুমি রোগের বাহকও । গত বছর মশাবাহিত রোগ চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অনেকে এখনও বহন করছে সেই যন্ত্রণা।আর তাই পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থা আর জন সচেতনতাই পারে মশা ও মশা বাহিত রোগ থেকে মু্ক্তি দিতে ।

